রায়গঞ্জ: অপসারিত হলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি বেঞ্জামিন হেমব্রম। সোমবার রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরের জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে সোমবার বিকেলের মধ্যেই জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে পর্ষদের যাবতীয় দায়িত্ব ভার বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে বেঞ্জামিনবাবুকে সরিয়ে কাকে সংসদ সভাপতির পদে বসানো হবে সেই ব্যাপারে কিছুই স্পষ্ট করে বলা হয়নি শিক্ষা দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে।

গোটা বিষয়টির ব্যাপারে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, পর্ষদ সূত্রে এরকম একটি বিজ্ঞপ্তি অফিসে এসেছে শুনেছি। কিন্তু সেই সময় অফিসের বাইরের থাকার কারণে নির্দেশিকা এখনো হাতে পাইনি। আগামী কাল অফিসে গিয়ে নির্দেশিকা দেখে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। উল্লেখ্য গত বছর মে মাসের ২৫তারিখে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির দায়িত্বভার নেন বেঞ্জামিন হেমব্রম। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত একজন সভাপতি কার্যকালের মেয়াদ থাকে চার বছর। সেক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির চেয়ার পরিবর্তনের বিজ্ঞপ্তিতে রীতিমত নড়েচড়ে বসেছে জেলার জেলার শিক্ষা মহল।

অন্যদিকে দিকে তৃনমূল শিক্ষা সেলের জেলা আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ চৌহানের দাবি, বর্তমান সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। যার জেরেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বেঞ্জামিনবাবুকে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্য সরকার।
যদিও এ ব্যাপারে বেঞ্জামিন হেমব্রমকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।