নয়াদিল্লি: বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল ভারতে ভ্যাক্সিন ড্রাইভ শুরু হয়েছে। গত শনিবার থেকে দেশের একাধিক জায়গায় ভ্যাক্সিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।

যাঁরা ভ্যাক্সিন নিলেন এবং যাঁরা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগামী ২২ জানুয়ারি, শুক্রবার কথা বলবেন মোদী।

ভ্যাক্সিন নিয়ে ‘এইমস’-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন যে, ভ্যাক্সিন নেওয়ার কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়নি তাঁর শরীরে। সপমবার সকাল থেকে স্বাভাবিক কাজকর্ম করছেন তিনি। মিটিং সহ আর যা কিছু কাজ আছে, তার সবই করছেন, কিন্তু কোনও অসুবিধা হয়নি।

সাধারণ মানুষকেও ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বিশিষ্ট এই চিকিৎসক বলেন, ‘মৃত্যুর হার কমালে, করোনা পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেলে আবার স্কুল খুলবে, ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি। সাধারণ মানুষ ফিরবে স্বাভাবিক জীবনে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিন্তার কোনও কারণ নেই বলেই মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, প্যারাসিটামলের মত ওষুধ খেলেও কোনও কোনও সময় অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হতে পারে। ১০ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়া রয়েছে কিছু গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন, শ্বাসকষ্ট, র‍্যাশ। সেরকম হলেও চিন্তার কিছু নেই বলেই জানিয়েছেন ড. গুলেরিয়া। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে লড়াই করার জন্য দেশসে সবরকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।