স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা মাজিদ আনসারী খুনে প্রধান অভিযুক্ত অভিজিৎ বর্মণকে গ্রেফতার করল কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম এলাকার ভারত ভুটনের সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়৷

মাজিদ আনসারি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই ফেরার ছিল অভিজিৎ বর্মণ। ইতিমধ্যে এই খুনে মামলায় অন্য অভিযুক্তদের আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাদের মধ্যে অন্যতম তৃণমূল কংগ্রেস নেতা এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মুন্না খান।

গত ১৩ জুলাই কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছিল কোচবিহার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা মাজিদ আনসারি৷ তখনই রাস্তায় রেলঘুমটির কাছে তাকে গুলি করা হয়৷ পরে ২৫ জুলাই শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলেই এই খুন বলে অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন : দলের ব্লক সভাপতিকে গ্রেফতারির দাবি স্বয়ং অনুব্রতর!

এই ঘটনায় সাত জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করে মাজিদের পরিবার। যাদের প্রত্যেকেই আগে গ্রেফতার হয়েছে। বাকি ছিল প্রধান অভিযুক্ত অভিজিৎ বর্মণ। সে কোচবিহার কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। অবশেষে প্রধান অভিযুক্তের গ্রেফতারে খুশি মাজিদের পরিবার। মাজিদ আনসারির দাদা সাজিদ আনসারি এই খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন৷ তিনি বলেন, ‘অভিজিৎ বর্মণকে গ্রেফতার করার জন্য কোচবিহার পুলিশ ও কোতোয়ালি থানার আইসিকে ধন্যবাদ। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করছি৷’

কোচবিহারের পুলিশ সুপার ভোলানাথ পাণ্ডে জানান, অনেক দিন ধরেই জায়গা বদল করে গা ঢাকা দিচ্ছিল অভিজিৎ৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়েই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন তাকে কোচবিহার আদালতে তোলা হলেও কোনও শুনানি হয়নি৷ সোমবার ফের তাকে আদালতে তোলা হবে।