তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। ফলমূল সহ অন্যান্য পুজো সামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে মাথায় হাত সাধারণ মানুষ থেকে পুজো উদ্যোক্তাদের। তার মধ্যেও অনেকে পুজোর বাজেট কাট ছাঁট করে বাজার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

মঙ্গলবার বাঁকুড়া শহরের চক বাজার, মাচানতলা সহ অন্যান্য বাজারগুলি ঘুরে দেখা গেল আপেল ১০০-১২০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি লেবু ৭০-৮০ টাকা, কলা ৩০-৪০ টাকা ডজন, নারকেল ৫০-৬০ টাকা, বেদানা ১০০-১২০ টাকা, নাসপাতি ৭০-৮০ টাকা, পানিফল ৫০-৬০৷ এতো গেল ফলের বাজার৷

আরও পড়ুন : লক্ষ্মী পুজোতে এবার ছুটি পাবেন এই সমস্ত সরকারি কর্মীরাও!

সবজির বাজারেও একই অবস্থা৷ ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা, বেগুন ২৫-৩০ টাকা, পটল ২৫-৩০ টাকা, শসা ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে লক্ষ্মী প্রতিমা ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্তও বিক্রি হচ্ছে৷ পদ্ম ফুল এক একটি ৫ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে।

শারদোৎসবের পরেই বাঙ্গালীর অন্যতম উৎসব কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো৷ তার আগে এই মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই পরিমাণে কম কেনাকাটা করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এবারের বিক্রিও কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা৷

আরও পড়ুন : মারাত্মক! কাজ হারাতে পারেন ৬০,০০০ বেশি কর্মী

চক বাজারে পুজোর সামগ্রী কেনার ফাঁকে গৃহবধূ সোমা পাত্র বলেন, ফল সহ অন্যান্য সামগ্রীর যা দাম, বাধ্য হয়েছি কম করে কিনতে৷ একই কথা শোনালেন বাঁকুড়া শহরে বাজার করতে আসা সিমলাপাল এলাকার এক পুজো কমিটির সদস্য অজয় সিংহ মহাপাত্র। তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্মী পুজোর একটা বাজেট তৈরি করেছিলাম৷ বাজারে এসে দেখছি তার অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। পুজো তো করতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই বেশী দামেই কেনাকাটা করতে হচ্ছে৷