স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ভরতির সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ১ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লাসও শুরু হয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত অনুমোদিত কলেজগুলিতে। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সোনালি দেবী জানান, এদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিদ্যাসাগর কলেজে গত মঙ্গলবার ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়েও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে আলোচনা হয়েছে। ওনারা এই ঘটনার চরম নিন্দা করছেন। সেই সঙ্গে ওনারা মনে করেন ভারতীয় সংস্কৃতির ওপর আঘাত এসেছে এই ঘটনায়। এটা নিঃসন্দেহে একটা ‘কালো দাগ’। বিদ্যাসাগর কলেজ প্রস্তাব ইতিমধ্যেই তাঁদের কাছে মূর্তির পূণর্নির্মাণ নিয়ে প্রস্তাব এনেছে। যেহেতু বিদ্যাসাগর কলেজ তাঁদের অনুমোদিত কলেজ, তাই কলেজ কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে সাহায্য চাইলে সেবিষয়ে পাশে দাঁড়াবেন তাঁরা।


সেই সঙ্গে আজকের বৈঠকে সোনালি দেবী আলোচনা করেন ভরতি প্রক্রিয়া নিয়ে। সেখানে তিনি জানান, অনার্সে ইউজির কতগুলো আসন থাকবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ সিন্ডিকেটে নেওয়া হয়েছে। কলেজে যে সংখ্যক আসন রয়েছে বা তাঁরা বাড়িয়ে করেছে সেগুলোর কোনও চাহিদা নেই। তাতে বরং ভরতির ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। এমনকি, অনেক কলেজ আবেদন করেছে আসন সংখ্যা কমিয়ে দিতে। ইউজিতে পুরোটাই অনলাইনে ভর্তি হবে। এনআইআরএফে কলেজগুলিও অংশগ্রহণ করছে, তখন দেখা যাচ্ছে আসন সংখ্যা বাড়তি রয়েছে। তখন প্রশ্ন উঠছে, কলেজের মান খারাপ তাই কম ভরতি হচ্ছে। তিনি এও জানান, জেনারেলে ৫০% এর বেশি আসন সংখ্যা বাড়াতে পারবে না কলেজগুলি। সেই সঙ্গে অনার্সেও ১০% এর বেশি বাড়ানো যাবে না।

২৭ তারিখের পর ভরতি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ১০ জুনের মধ্যে যেন মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয় সে বিষয়েও কলেজগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা। ১১ তারিখ পড়ুয়ারা যাতে মনোস্থির করার সময় পান সেই জন্য ১১ তারিখ বাদ দিয়ে ১২ তারিখ ভরতি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৬ জুলাইয়ের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ হবারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু সেমেস্তার সিস্টেমে এখন পরীক্ষা হয় তাই যাতে ক্লাস শুরু করতে দেরি না হয় সে বিষয়েও তাঁরা নজর দিচ্ছেন। ১ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লাস শুরু হয়ে যাবে। তার এক মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া হবে।