স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করল বামেরা। রাজ্য কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভার্চুয়াল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার পাশাপাশি মাঠে-ময়দানে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে হবে।

বৃহস্পতিবার অনলাইনে রাজ্য কমিটির বৈঠক ছিল। ভিডিয়ো কনফারেন্সেই যোগ দিয়েছিলেন ৭৬ জন সদস্য। ঠিক হয়েছে, লকডাউন পরবর্তী সময়ে প্রথম প্রকাশ্য সমাবেশ হতে চলেছে আগামী ১৬ জুন, রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি-দাওয়া নিয়ে সে দিন দেশ জুড়ে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পলিটব্যুরো। এছাড়া ‘ভার্চুয়াল ভাষণ’ এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, করোনা, লকডাউন এবং আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ্যের নানা প্রান্তেই ত্রাণ, সব্জি বাজার বা শ্রমজীবী ক্যান্টিন খোলা-সহ বিভিন্ন ধরনের কাজকর্ম চালিয়েছে সিপিএম। সেই কাজের রেশ থাকতে থাকতেই ভোটের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় তারা।

দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে বর্ষীয়ান নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় ক্ষোভের সুরে বলেছেন, করোনা, পরিযায়ী শ্রমিক ও আমফান মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারের নানা গাফিলতি থাকা সত্ত্বেও দল পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারছে না।

আর এক বর্ষীয়ান নেতা শ্যামল চক্রবর্তী প্রস্তাব দিয়েছেন বিধানসভা কেন্দ্র পিছু সম্ভাব্য মুখ বেছে নিয়ে এখন থেকেই তাঁদের ময়দানে নামিয়ে দেওয়া হোক। দেরি করলে সরকার-বিরোধিতার ফায়দা সব বিজেপি তুলে নিতে পারে। এছাড়াও, বৈঠকে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন-রফার আলোচনা এখনই শুরু করার কথাও এসেছে। বিজেপির বিরুদ্ধেও আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করার কথা আলোচনা হয়েছে।

এদিকে, দুই লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ও সুরিন্দরজিৎ সিং আলুওয়ালিয়াকে ‘পরিযায়ী’ আখ্যা দিয়ে শিল্পাঞ্চলের পথে নামছে সিপিএম। আন্দোলনের লক্ষ্যে থাকবে বিএসএনএল, ফুড কর্পোরেশন, পোস্ট অফিস, জাতীয় সড়ক।

অমিত শাহের ভার্চুয়াল সভার পর গত মঙ্গলবার পশ্চিম বর্ধমানের একাধিক জায়গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কুশপুতুল দাহ করেছে সিপিএম।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ