উই, জিও এবং এয়ারটেলের একাধিক প্রিপেড সুবিধার সঙ্গে থাকছে প্রতিদিন দেড় জিবি করে ডেটা ব্যবহারের সুবিধা

গ্রাহকদের কথা ভেবে বরাবর একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে একের পর এক টেলিকম কোম্পানি গুলি। বিশেষ করে জিও, এয়ারটেল এবং উই এর তরফে আনা হয়েছে আকর্ষণীয় প্ল্যান। বিশেষ করে নতুন ভাবে আত্ম প্রকাশ করে একের পর এক প্ল্যান নিয়ে এসেছে উই। এমনকি বিনোদনের জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। পাশপাশি জিওর তরফেও নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু পদক্ষেপ।

বরাবর গ্রাহকদের জন্য জিও নিয়ে আসে একাধিক প্ল্যান। বিশেষত আইপিএল মরসুমে গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে একাধিক প্ল্যান। যা সব ধরনের মানুষজন ব্যবহার করতে পারবে। জিওর তরফে আনা হয়েছে ১৯৯ টাকার প্ল্যান। এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি ২৮ দিনের। এতে রয়েছে দেড় জিবি ডেটা প্রতিদিন ব্যবহারের সুবিধা। এতে রয়েছে আন লিমিটেড কলের সুবিধা। এছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে ১০০০ মিনিট কথা বলার সুবিধা।

এছাড়া রয়েছে মেসেজের সুবিধাও। অন্যদিকে রয়েছে ৩৯৯ টাকার প্ল্যান। এই প্ল্যানে রয়েছে ৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি। এতে রয়েছে প্রতিদিন দেড় জিবি করে ডেটা ব্যবহারের সুবিধা। রয়েছে জিও থেকে জিও তে আন লিমিটেড কল এবং অন্য নেটওয়ার্কে ২০০০ মিনিট কথান বলার সুবিধা। রয়েছে বিনোদনের সুবিধাও। এছাড়া ৫৫৫ টাকার প্ল্যানে রয়েছে ৮৪ দিনের ভ্যালিডিটি।

২৪৯ টাকার প্ল্যানে রয়েছে এয়ারটেলের একাধিক সুবিধা। এই প্ল্যানে রয়েছে ২৮ দিনের ভ্যালিডিটি। এই প্ল্যানে রয়েছে প্রতিদিন দেড় জিবি করে ডেটা ব্যবহারের সুবিধা। অন্যদিকে রয়েছে ২৮৯ টাকার প্ল্যান। এই প্ল্যানে দেড় জিবি করে প্রতিদিন ডেটা ব্যবহারের পাশপাশি বেশ কিছু ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দেখার সুবিধাও। এছাড়া রয়েছে ৩৯৯ টাকার প্ল্যান। এই প্ল্যানে রয়েছে ৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি। রয়েছে আন লিমিটেড কলের পাশপাশি দেড় জিবি করে ডেটা ব্যবহারের সুবিধা। রয়েছে বিনোদনের একাধিক সুযোগ।

এছাড়া উই এর তরফে রয়েছে ৩৯৯ টাকার প্ল্যান। এই প্ল্যানে রয়েছে ৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি। এতে রয়েছে আন লিমিটেড কলের পাশপাশি অতিরিক্ত একাধিক সুবিধা। এছাড়া রয়েছে ২৪৯ টাকার প্ল্যান। এতে রয়েছে ৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি। এতে রয়েছে আন লিমিটেড কলের পাশপাশি দেড় জিবি করে প্রতিদিন ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়া রয়েছে ৫৯৯ টাকার প্ল্যান। এই প্ল্যানে রয়েছে ৮৪ দিনের ভ্যালিডিটি। আন লিমিটেড কলের পাশপাশি দেড় জিবি করে ডেটা ব্যবহারের সুবিধা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।