নয়াদিল্লি: ইংল্যান্ড ফুটবল দলের অধিনায়ক তথা টটেনহ্যাম তারকা হ্যারি কেন তাঁর গুণমুগ্ধ ভক্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই তারকার মধ্যে টুইটও চালাচালি হয়েছে বেশ কয়েকবার। বিশ্বকাপ শুরুর আগে অভিজাত লর্ডসের বাইরে প্রিয় ক্রিকেটারের সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাতের পর উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি কেন। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির গুণগ্রাহীর তালিকায় কেবল কেন নন, রয়েছেন এমন অসংখ্য ফুটবল তারকা। ৩১তম জন্মদিনে সকলেই শুভেচ্ছা জানালেন ভারত অধিনায়ককে।

ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কিংবদন্তি রায়ান গিগস থেকে শুরু করে লিভারপুলের বর্তমান তারকা সাদিও মানে কে নেই তালিকায়। ম্যান সিটির বার্নার্দো সিলভা, রিয়াদ মাহরেজ লিভারপুলের নবি কেইটা, চেলসির মার্কোস অ্যালোন্সো, উইলি কাবালেরো, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মার্কোস রোজো। জন্মদিনে প্রিমিয়র লিগ তারকাদের একের পর এক শুভাচ্ছাবার্তায় ভাসলেন ‘দ্য রানমেশিন’।

আরও পড়ুন: ড্রাগনভূমির শীতল আমেজে জন্মদিনের উষ্ণতায় বিরাট

মঙ্গলবার প্রিমিয়র লিগ ইন্ডিয়ার টুইটার পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় বিরাটকে একজোটে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন এঁরা সকলে। ভিডিওটিতে ভারত অধিনায়ককে ‘সুপার ভি’ নামে সম্বোধন করেছেন প্রত্যেকে। অর্থাৎ, ক্রিকেটের গন্ডি ছাড়িয়ে বিরাটের ব্যপ্তি যে ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশের ফুটবল মহলেও, এই ভিডিও তারই প্রমাণ। এর আগে জন্মদিনের সকালে বিরাট তাঁর আত্মোপলব্ধির কথা জানিয়ে একটি খোলা চিঠি লেখেন ১৫ বছরের চিকু’কে (বিরাটের ডাকনাম)। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল।

আরও পড়ুন: খারাপ ফর্ম অব্যাহত, চিনা ওপেনের প্রথম রাউন্ডেই বিদায় সিন্ধুর

পাশাপাশি ৩১ তম জন্মদিনটা স্ত্রী অনুষ্কার সঙ্গে বিরাট পালন করছেন পাহাড় ঘেরা ভুটানে। সেখানে সকাল-সকাল চায়ে পে চর্চার একটি ছবি পোস্ট করে বিরাট লেখেন, ‘এমন নৈস্বর্গিক পরিবেশে কাছের মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে পারাটা আশীর্বাদের মতো। জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সকলকে ধন্যবাদ।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বিরুদ্ধে চলতি টি-২০ সিরিজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বিরাট। দিনকয়েকের বিশ্রামের পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ফের বাইশ গজে দেখা যাবে বিরাটকে। আগামী ১৪ নভেম্বর ইন্দোরে শুরু হবে প্রথম টেস্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.