লন্ডন: লকডাউন পরবর্তী সময় স্বল্পদিনের মধ্যে ঘন ঘন ম্যাচ খেলতে হয়েছিল দলগুলোকে। স্বাভাবিকভাবেই ফুটবলারদের চোটের কবলে পড়ার আশঙ্কা বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। সেকথা মাথায় রেখেই করোনা আবহে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বিভিন্ন দেশের ফুটবল লিগগুলোকে জানিয়েছিল অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন দেশের ফুটবল লিগ দলগুলোকে সর্বোচ্চ ৫টি পরিবর্তনের সুবিধা দিতে পারে।

অর্থাৎ, একটি ম্যাচে প্রত্যেক দল চাইলে তিনটি নয় বরং সর্বোচ্চ পাঁচটি পরিবর্তন ব্যবহার করতে পারবে। তবে সিদ্ধান্ত কার্যকরের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে যে কোনও দেশের লিগ কমিটির হাতে ন্যস্ত থাকবে। আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সেই নিয়ম কার্যকর করেই লকডাউন পরবর্তী সময় লিগ শেষ করেছে ইংল্যান্ড, ইতালি, স্পেনের মতো ইউরোপের মেজর সকার লিগগুলো। সিদ্ধান্তটি ভীষণ সময়োপযোগী বলে বিবেচিত হয়েছিল বিভিন্ন দেশের ফুটবল গভর্নিং বডিগুলোর কাছে।

যেহেতু করোনা এখনও ব্যাপকভাবে তার জাল ছড়িয়ে রেখেছে গোটা বিশ্বে, সেহেতু স্বাস্থ্যবিধি-সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং’য়ের বিভিন্ন প্রোটোকল মেনেই আসন্ন মরশুমে আয়োজিত হবে বিভিন্ন দেশের ফুটবল লিগ। করোনাভাইরাসের কথা মাথায় রেখে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডও সাময়িক সর্বোচ্চ পাঁচটি পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে আগামী মরশুমেও বলবৎ রেখেছে। তবে পৃথিবীর ধনীতম ফুটবল লিগ ইংলিশ প্রিমিয়র লিগ ফিরছে পুরনো নিয়মেই। অর্থাৎ, নিয়ম বলবৎ থাকলেও পাঁচটি পরিবর্তনের সুবিধা ২০২০-২১ মরশুমে দলগুলোকে দিতে রাজি নয় ইপিএল কর্তৃপক্ষ। সাধারণ নিয়মেই ফিরতে চলেছে তাঁরা।

এপ্রসঙ্গে যুক্তি খাড়া করে ইপিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বড় ক্লাবগুলোর স্কোয়াডের গভীরতা বা রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি ছোট দলগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। স্বাভাবিকভাবেই পাঁচটি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকলে তা বড় ক্লাবগুলোকে অনেক বেশি সুবিধা পাইয়ে দেবে। তাই সমতা বজায় রাখতেই স্বাভাবিক নিয়মে ফিরছে তাঁরা। তবে রিজার্ভ বেঞ্চে সর্বাধিক ৭ জন ফুটবলারের উপস্থিতির বিষয়টি কার্যকর থাকছে নতুন মরশুমে ইপিএলে। এখন দেখার ইপিএলের দেখাদেখি ইউরোপের অন্যান্য মেজর ফুটবল লিগগুলোও সাবেকি নিয়মে ফিরে যায় নাকি সাময়িক নিয়ম বলবৎ রাখে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা