প্রতীকী ছবি

জয়পুর: সেদিনের রাতের আতঙ্ক ফিরে এল রাজস্থানে৷ উদয়পুরের রাস্তায় ১৯ বছরের ওই দলিত তরুণীকে নির্মম ভাবে গণধর্ষিতা হতে হল৷ তিনি সন্তানসম্ভবা ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷ উল্লেখযোগ্যভাবে এই ঘটনা ফের উসকে দিয়েছে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসের দিল্লিতে ঘটে যাওয়া নৃশংস নির্ভয়া কাণ্ডের স্মৃতি৷

নিজের প্রেমিকের সঙ্গে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই দলিত তরুণী৷ লোহার রড ও তরোয়াল নিয়ে তাদের পথ আটকায় একদল যুবক৷ ওই তরুণীকে নির্জন বাসস্ট্যাণ্ডে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে চলে নির্মম অত্যাচার৷ প্রেমিকে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়৷ অভিযুক্তদের নাম জানতে পেরেছে পুলিশ৷

সুনীল চারপোতা, বিকাশ ও জিতেন্দ্র চারপোতা নামে ওই যুবকরা অত্যাচার চালিয়ে থামেনি৷ এরপর আরও একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় ওই তরুণীকে৷ ফোন করে ডাকা হয় তাদের আরও দুই বন্ধু নরেশ গুর্জর ও বিজয়কে৷ তারাও সেই গণধর্ষণে সামিল হয়৷ এরপর অচৈতন্য অবস্থায় ওই তরুণীকে ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা৷

আরও পড়ুন : কট্টর মুসলমানরাই স্থির করবেন ভারতের পতাকা ওড়াবেন নাকি ইসলামিক: রিজভি

পরে ওই তরুণীকে হাসপাতালে ভরতি করেন স্থানীয়রা৷ তবে চিকিৎসকরা জানান, তার গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে৷ তবে তাঁর প্রেমিকের জ্ঞান পেরার পরেই আত্মহত্যার ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সকলকে৷ এখনও পুলিশ তাঁর প্রেমিকের মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেনি৷ ওই যুগল বিবাহিত ছিলেন না৷ তাসত্ত্বেও ওই মহিলা সন্তানসম্ভবা, সম্ভবত লাঞ্ছিত হওয়ার আশংকাতেই আত্মহত্যা করেছেন ওই যুবক বলে ধারণা পুলিশের৷

বানসারা পুলিশ জানিয়েছে ওই মহিলা কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি৷ তবে স্বত:প্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেছে পুলিশ৷ এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ এই ঘটনা ১৩ই জুলাই ঘটলেও, প্রকাশ্যে আসে সোমবার৷ উদ্ধার করা হয় প্রেমিকের ফোনটি৷ সেই ফোনের সূত্র ধরেই একের পর এক ঘটনা সামনে আসে৷ গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত৷ পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাঁচ অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়৷