অন্যান্য পুজোর সঙ্গে কালী পুজোর ক্ষেত্রে মূল ফারাক হলো এই পুজো চলে গভীর রাতে ৷ ফলে অন্যান্য পুজোর তুলনায় এই পুজোয় উপোস করতে যাওয়া আরও কঠিন তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷ রাত জেগে না খেয়ে এই পুজো করতে গিয়ে অনেক সময় শরীর সেই ধকল সহ্য করতে পারে না ৷ যার জেরে অনেকেরই পেটের সমস্যা, মাথা ধরা এবং শরীর দূর্বল হতে দেখা যায়৷ কিন্তু পুজো তো করতেই হবে আবার শরীরটাকেও ফিট রাখতে হবে৷ অতএব তা করতে সতর্কতামূলক কিছু ব্যবস্থা নিয়ে নেওয়া উচিত৷
সেক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে৷
প্রথমত যদি নির্জলা উপোস না করা হয় তাহলে কিছু সময় অন্তর অন্তর জল পান করা একান্ত প্রয়োজন কারণ উপোসে শরীরে হাইড্রেশনের প্রয়োজন আছে এবং জলেই তা মিটবে৷ আর নির্জলা উপবাস করলে তখন শরীরকে সজীব রাখতে  মুখ গলা ঘাড় এবং হাত পায়ে মাঝে মাঝে জলে ঝাপটা দিতে হবে ৷
দ্বিতীয়ত অযথা রোদে বাইরে ঘোরাঘুরি না করাই ভাল, যদি পুজোর কাজ করতে হয় যারা উপোস করবেন তারা বাড়ির ভেতরের কাজে  লিপ্ত থাকুন৷
তৃতীয়ত আগুণ বা ধোঁয়াকে এড়িয়ে চলুন মানে হোম বা যজ্ঞের ধোঁয়া থেকে একটু দূরে থাকাই ভাল কারণ ধোঁয়ায় অনেক সময় শরীর খারাপ হয়ে যায় ৷
চতুর্থত উপোস করলে অবশ্যই আগে দিন রাত জাগা ঠিক নয় , ওইদিন রাতে ভাল করে ঘুমনো উচিত৷
পঞ্চমত, পুজো শেষে খালি পেটে শুয়ে পড়া যেমন কাম্য নয় তেমনই আবার উপবাস ভেঙে এক গাদা খাবার খাওয়াও উচিত নয়৷ সরবৎ জাতীয় কিছু হালকা পানীয় খেয়ে প্রথমে উপবাস ভাঙুন ৷ তাছাড়া মিস্টি পা পায়েস খেয়েও উপবাস ভাঙা যেতে পারে ৷ তবে বেশি মিস্টি খেলে গা গুলিয়ে যেতে পারে৷ মাথায় রাখতে হবে অনেকক্ষণ কিছু খাওয়া হয়নি তাই তখন মশলাদার বা তেলের জিনিস খেলে হজম করতে অসুবিধা হতে পারে ৷ খাওয়ার পর আর রাত না জেগে এবার একটু ঘুমিয়ে নেওয়াই বাঞ্ছনীয়৷