স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : জ্যৈষ্ঠের আজ ১৪ তারিখ। রাজ্যে শুরু হয়ে গেল প্রাক বর্ষার বৃষ্টি। গত কয়েকদিন শহরে নাগাড়ে বয়েছে ঝড়ো হাওয়া। সেই হাওয়াই আদতে ডেকে এনেছে এই প্রাক বর্ষার বৃষ্টিকে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল,আন্দামানে মৌসুমী বায়ু ঢুকেছে আমফানের সময়েই ঢুকেছে। এরফলে কিছুটা হলেও শক্তি পেয়েছে বর্ষা।

বঙ্গে এবার প্রাক-বর্ষার পরিস্থিতি দেখতে পাওয়া যাবে বলে মনে করছিলেন আবহাওয়াবিদরা। নাগাড়ে ঝড়ো হাওয়ায় তা স্পষ্ট হয়ে যায়। বুধবার থেকে টানা বৃষ্টিতে প্রাক বর্ষার বৃষ্টিতে শিলমোহর পড়েছে। সারা দেশের নিরিখে বর্ষা স্বাভাবিক হলেও বৃষ্টি কেমন হবে তা নিয়ে একটু চিন্তাজনক পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। জুন মাসে নির্ধারিত সময়ে বর্ষা দেশে ঢুকলেও তেমন বৃষ্টিপাত হবে না।

অর্থাৎ জুন মাসে বর্ষার যে বৃষ্টি হওয়া উচিত ততটা হবে না। জুলাই মাসেও সেই একই অবস্থা হবে। জুলাই মাসের প্রায় শেষের দিকে গিয়ে বৃষ্টি শুরু হবে। অগস্ট সেপ্টেম্বর মাসে বেশি বৃষ্টি হবে। অনেকটা গতবছর যেমন শেষ মুহূর্তে মেক আপ দিয়ে যাবতীয় ঘাটতি মিটিয়েছিল বর্ষা সেই তেমনই হতে পারে এবারের বর্ষার রূপ। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিসের।

প্রাক বর্ষার বৃষ্টিতে বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটা নেমে ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চলে এসেছে।যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম। বুধবারে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৬ , সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ৪৪.৩ মিলিমিটার। বুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি বেশি।

একদিনেরন ফারাকে পারদ কতটা নেমেছে তা স্পষ্ট। মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম ছিল। বিগত কয়েকদিন উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘ এবং বৃষ্টি শহরের পারদকে নীচে রেখেছিল। সেই মেঘ শহরের উপস্থিত হয়ে এবার আরও নামিয়েছে পারদকে।

আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। প্রসঙ্গত কলকাতায় ৯৬ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হয়, দমদমে ৮৪ কিলোমিটার বেগে ঝড় হয়। দমদমে ৪৮.৭ মিলিমিটার , সল্টলেকে ৫৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দুই অঞ্চলেই পারদ নেমে।এসেছে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প