বেঙ্গালুরু: দিনচারেক আগে স্থগিতাদেশ জারি হলেও আইপিএলে’র সঙ্গে যুক্ত ক্রিকেটারদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পালা চলছেই। দলের ক্রিকেটার আক্রান্তের নিরিখে তালিকার শীর্ষে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে ফের একবার খারাপ খবর। বরুণ চক্রবর্তী, সন্দীপ ওয়ারিয়র, টিম সেইফার্টের পর ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে করোনা আক্রান্ত হলেন পেসার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা।

আমদাবাদে নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়েই নাইটদের টিমের জৈব বলয় ছেড়ে বেরিয়েছিলেন দক্ষিণী এই পেসার, কিন্তু বিপত্তি বাঁধে বেঙ্গালুরুতে বাড়িতে ফেরার প্রাক্কালে। বেঙ্গালুরুতেই কৃষ্ণার কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শুক্রবারই আসন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল এবং ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট সিরিজের জন্য স্ট্যান্ডবাই ক্রিকেটার হিসেবে ডাক পেয়েছেন কৃষ্ণা। উল্লেখ্য, চলতি বছরেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে এই পেসারের। স্থগিত হওয়ার আগে আইপিএলে সাত ম্যাচ খেলে ৮ উইকেট সংগ্রহ করেছেন তিনি। আগামী ২ জুন জাতীয় দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড উড়ে যাওয়ার আগে কৃষ্ণা যথা সময়েই জৈব বলয়ে প্রবেশ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আইপিএলে’র জৈব বলয় ভেদ করে করোনা প্রথম আঘাত হেনেছিল নাইট শিবিরেই। গত সোমবার বরুণ চক্রবর্তী এবং সন্দীপ ওয়ারিয়র আক্রান্ত হওয়ার পর শনিবারই ফের দুই নাইট ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলল। কৃষ্ণার ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর আসার আগে ফ্র্যাঞ্চাইজির কিউয়ি ব্যাটসম্যান টিম সেইফার্টেরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে এদিন। উল্লেখ্য, অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের কিউয়ি ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, সাপোর্ট-স্টাফদের সঙ্গে সেইফার্টও দেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়ে যাওয়ার ঠিক আগেই খারাপ খবর এসে পৌঁছয়।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড জানায়, মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ভারতেই থেকে যেতে হয়েছে সেইফার্টকে। সেদেশের ক্রিকেট বোর্ড আরও জানিয়েছে, ‘ভারত ছাড়ার আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সদস্য টিম সেইফার্টের দু’টি আরটি-পিসিআর(RT-PCR) রিপোর্টের ফলই পজিটিভ এসেছে। তাই তিনি কোয়ারান্টাইনে থাকবেন। তাঁর সামান্য উপসর্গ রয়েছে।’ আপাতত ২৬ বছর বয়সি টিমকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে যে প্রাইভেট হাসপাতালে কোভিড আক্রান্ত মাইকেল হাসির চিকিৎসা চলছে সেখানেই তাঁরও চিকিৎসা চলবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.