নয়াদিল্লি: ফের নয়া দায়িত্বে প্রশান্ত কিশোর। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন পর্ব শুরুর আগেই এবার পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন এই ভোটকুশলী। ঠিক হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেবেন পিকে। পরের বছরেই পঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব নেবেন প্রশান্ত।

প্রশান্ত কিশোর যে এবার তাঁর মুখ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন টুইটে সেকথা নিজেই জানিয়েছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। এদিকে, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। এরাজ্যের তৃণমূলের ভোটকুশলী হিসেবে কাজ করছেন পিকে। দল কীভাবে চলবে, প্রচার কীভাবে এগোলে সাফল্য আসবে, প্রার্থী হিসেবে কাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে, সে সব ব্যাপারে তৃণমূল সুপ্রিমোকে পরামর্শ দিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও বেশ ভরসা করছে পিকে-কে। এমনিতেই দলে পিকে-কে নিয়ে অসন্তোষ কম নেই তৃণমূলের। দলের একাধিক প্রবীণ নেতা পিকে-র কাজে অখুশি। প্রকাশ্যে একাধিকবার প্রশান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের একাংশের নেতাদের।

তবুও দমে যাননি মমতা। কাজ থমকে যায়নি পিকেরও। ভোট ময়দানে তৃণমূলকে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ এনে দিতে একের পর এক প্রচার কৌশল সামনে এনেছেন প্রশান্ত কিশোর। দিদিকে বলো থেকে শুরু করে দিদির দূত-সহ একাধিক প্রচার কৌশল ভোট ময়দানে শাসকদলকে বাড়তি সুবিধা দেবে বলে দাবি টিম পিকে-র। কিছুদিন আগেই টুইটে প্রশান্ত কিশোর দাবি করেন, আসন্ন বাংলার বিধানসভা ভোটে বিজেপি দুই অঙ্কেই আটকে যাবে।

গেরুয়া দল এরাজ্যে ১০০ আসন পেরোলে তিনি কাজ ছেড়ে দেবেন বলেও জানিয়েছিলেন। তবে বাংলায় ভোটের ফল বেরনোর আগেই প্রশান্ত কিশোর পরবর্তী কাজের বায়না সেরে রেখেছেন। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল হেরে গেলেও পঞ্জাবে অমরিন্দরের সঙ্গে কাজ করতে তাঁর বাধা নেই।

তবে কি বাংলায় দিদির কামব্যাকের ব্যাপারে তিনি একশো শতাংশ আশাবাদী? নির্বাচনী বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রশান্ত কিশোর আপাতমস্তক একজন কর্পোরেট ব্যবসায়ী। তাই তাঁর কাছে সেন্টিমেন্টের কোনও জায়গা নেই। তাই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর থেকে তাঁর উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব আসার পর আরও কালক্ষেপ করতে চাননি তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।