কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আরও একবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আনন্দ আবহের মধ্যেই অবসর ঘোষণা করলেন রাজনৈতিক কৌশলী প্রশান্ত কিশোর।

বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের আগে মসনদে ফিরতে প্রশান্ত কিশোরের উপর ভরসা রেখেছিল ঘাসফুল শিবির। দুঁদে এই রাজনৈতিক কৌশলীর পাশার চালেই থেমে যায় গেরুয়া ঝড়। নির্বাচনের আগে যখন বিজেপি ২০০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার কথা বলছিল, তখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ করেন প্রশান্ত কিশোর। বলে দেন, বিজেপি তিন অঙ্ক ছুঁতেও পারবে না। রবিবার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তা-ই দেখা গেল। ৭৬টি আসন পেয়েই আটকে গেল বিজেপির বিজয় রথ। মমতা বন্দ্যোপায়ের জয়ের পিছনে থাকা এই রাজনৈতিক কৌশলী একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, তিনি বহুদিন ধরে একটি সুযোগের অপেক্ষা করছিলেন। বাংলা তাঁকে সেই সুযোগ দেয়। একটি টুইট করে তিনি এও জানিয়েছিল, যদি বিজেপি ডাবল ডিজিট ছাড়াবে না। যদি বিজেপি ভালো ফল করে তবে তিনি তাঁর জায়গা থেকে সরে যাবেন।

এদিন নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশনকে একহাত নেন প্রশান্ত কিশোর। বলেন, বাংলায় বিজেপিকে সাহায্য করার জন্য অনেক কিছু করেছে কমিশন। বিজেপিকে ধর্ম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া থেকে শুরু করে নিয়মের ভাঙা-গড়া, কমিশন সবকিছু করেছিল। নির্বাচন কমিশন বিজেপির সম্প্রসারণের জন্য কাজ করেছে। নাহলে বিজেপি যে ভোট পেয়েছে সেটিও পেত না বলে জানিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। তবে পশ্চিমবঙ্গে মমতার পাশে থাকতে পেরে উৎসাহী এই রাজনৈতিক কৌশলী। একথা জানানোর পরই তিনি ঘোষণা করেন, এবার অবসর নিচ্ছেন তিনি। আইপ্যাকের দায়িত্ব অন্য কারোর হাতে ছেড়ে অন্য কিছু করার কথা ভাবছেন প্রশান্ত কিশোর। অনেকেই মনে করছেন তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে পারেন। কারণ তিনি আগে সংযুক্ত জনতা দলের সহ সভাপতি ছিলেন। জেডিইউ বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার পরই দায়িত্ব ছাড়েন তিনি। তাই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক পুরনো। যদিও কী করবেন তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানাননি প্রশান্ত কিশোর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.