ফাইল ছবি

বেজিং: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে ভারত-চিন বন্ধুত্বের সম্পর্কে এক বিশাল ক্ষতি হল বলে মনে করে চিন সরকার। ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছে চিন। ‘‘প্রণব মুখোপাধ্যায় বরাবরই চিন-ভারত সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে সচেষ্ট ছিলেন। পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনে চিন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে তাঁর ভূমিকা ছিল খুবই ইতিবাচক।’’ এমনই মন্তব্য করেছেন চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনিং।

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মঙ্গলবার দিল্লির লোধি রোড শ্মশানে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এদিনই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছে চিন। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে চিন-ভারত বন্ধুত্বের সম্পর্কে এক বিশাল ক্ষতি হল বলে মনে করে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার।

চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনিং বলেন, ‘‘প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে চিন-ভারত বন্ধুত্বের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর প্রয়াণে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ভারত সরকার ও প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’’

ফাইল ছবি

চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ২০১৪ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর একাধিক ইস্যুতে কথা হয়। দু’দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বৃদ্ধি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে ২০১৬ সালে চিন সফরে গিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।

সেবার চিনা সরকারের শীর্ষকর্তা ও সেদেশের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন তিনি। চিনের বাজারে ভারতের বিভিন্ন পণ্য বিক্রির ব্যাপারেও আলোচনা করেছিলেন প্রণববাবু। একইসঙ্গে দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখতে তাঁর সুচিন্তিত মতামত দিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। এদিন শোকবার্তায় প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্কে সেসবের উল্লেখ করে বেজিং।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।