চণ্ডীগড়: এবার কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদে সরব পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল। কৃষি আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মান নিতে অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী। কৃষি আইন নিয়ে মোদী সরকারকে তুলোধনা করে রাস্তায় নেমেছেন লক্ষ-লক্ষ কৃষক। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে ধর্না দিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কৃষকরা।

কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এবার সুর চড়ালেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল। প্রতিবাদে ভারত সরকারের দেওয়া ‘পদ্মবিভূষণ’ ফেরালেন পঞ্জাবের বর্ষীয়ান প্রকাশ সিং বাদল। কৃষি আইন নিয়ে রফাসূত্র খুঁজতে মরিয়া কেন্দ্রীয় সরকারও। জট কাটাতে প্রথম বৈঠক নিষ্ফলা হওয়ায় বৃহস্পতিবার ফের শুরু বৈঠক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এরই মধ্যে মোদী সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে ‘পদ্মবিভূষণ’ ফেরালেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল। দেশজুড়ে চলতে থাকা কৃষি আইনের বিরোধিতায় দিল্লি ঘেরাও করেছেন লক্ষ-লক্ষ কৃষক। বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনের পক্ষে ইতিমধ্যেই সরব হরিয়ানার বিজেপি জোট সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী দুশ্মন্ত চৌতালা। তিনি পদত্যাগের হুমকি দিয়ে রেখেছেন। এর ফলে হরিয়ানায় বিজেপি পরিচালিত সরকার সংখ্যালঘু হতে চলেছে। সরকারও পড়ে যেতে পারে। এমন আশঙ্কায় ভুগছে এনডিএ শিবির।

আগেই নয়া কৃষি আইন তৈরির মুখেই বিজেপি-র সঙ্গ ছেড়েছিল দীর্ঘদিনের সঙ্গী শিরোমণি অকালি দলও। সংসদে মোদী মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন দলের একমাত্র মন্ত্রী হরসিমরাত কাউর বাদল। এবার মোদী-শাহদের অস্বস্তি বাড়ালেন একদা জোটসঙ্গী শিরোমণি অকালি দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রকাশ সিং বাদল।

ভারত সরকারের দেওয়া ‘পদ্মবিভূষণ’ ফেরানোর কথা জানিয়েছেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুন্ন করছে বলেই মত বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের। কৃষি আইনের প্রতিবাদ জানিয়েই ‘পদ্মবিভূষণ’ ফেরানোর সিদ্ধান্ত পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।