বেঙ্গালুরু: করোনা আক্রান্ত প্রকাশ পাডুকোন৷ কিন্তু টানা জ্বর থাকায় বেঙ্গালুরুর এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি কিংবদন্তি ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়৷ তিনি ছাড়াও তাঁর স্ত্রী এবং দ্বিতীয় মেয়ে আনিশারও কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে৷

বেঙ্গালুরুর প্রকাশ পাডুকোন ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমির কোচ বিমল কুমার পিটিআই-কে জানিয়েছেন, ‘গত ১০ দিন ধরে প্রকাশ ও তাঁর স্ত্রী(উজ্জ্বলা) এবং দ্বিতীয় কন্যার (আনিশা) করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা গিয়েছিল৷ পরে টেস্ট করানোয় রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷’ ৬৫ বছরের কিংবদন্তি ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ও তাঁর স্ত্রী এবং মেয়ে বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন৷ কিন্তু গত শনিবার জ্বর না-কমায় প্রকাশ পাডুকোনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ তবে তিনি এখন সুস্থ আছেন বলেও জানিয়েছেন বিমাল কুমার৷ তাঁর সমস্ত পেরামিটার ভালো রয়েছে৷ তিনি মনে করছেন, দু-তিন দিনের মধ্যেই প্রকাশবাবুকে হাসপাতাল ছেড়ে দেওয়া হবে৷

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত৷ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ১৪৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ মারণ এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাদ যায়নি সেলিব্রেটিরাও৷ গত মাসে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর৷ কয়েকদিন তাঁকে হাসপাতালেও ভর্তি থাকতেও হয়েছিল৷ কিন্তু সপ্তাহখানের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন লিটল মাস্টার৷

এবার করোনার হাত থেকে নিস্তার পেলেন না বর্ষীয়ান এই ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ও৷ শুধু ভারতে নয়, প্রকাশ পাডকোন হলেন বিশ্ব ব্যাডমিন্টনেও বড় নাম৷ সাত ও আটের দশকে তিনি ছিলেন ভারতীয় ক্রীড়া ক্ষেত্রে রোল মডেল৷ প্রথম ভারতীয় হিসেবে অল-ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নজির গড়েছিলেন পাডুকোন৷ দেশের প্রথম ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় হিসেবে অল-ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপ পদক জিতেছিলেন৷ ১৯৮৩ সালে দেশকে ব্রোঞ্জ এনে দিয়েছিলেন পাডুকোন৷

শুধু তাই নয়, তিনি ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম বিশ্বের এক নম্বর জায়গা দখল করেছিলেন৷ ১৯৮০ সালে ডেনমার্ক ওপেন, অল-ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সুইডিশ ওপেন জিতে বিশ্ব ব়্যাংকিংয়ে প্রথম হয়েছিলেন পাডুকোন৷ ১৯৯১ সালে অবসরের পর ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলকে কোচিংও করিয়েছিলেন তিনি৷ এছাড়াও ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান হন পাডুকোন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.