স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: একদিকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ব্যাংক, পোস্ট অফিসে সুদ কমানো , বিলগ্নিকরণ ও ছাঁটাই অন্যদিকে রাজ্যে রেশন দুর্নীতি ও সি ই এস সি -র একাধিপত্য এবং লাগামছাড়া বিদ্যুৎ মাসুলের প্রতিবাদে আজ, ১২ই সেপ্টেম্বর রানী রাসমণি এভিনিউতে জনসভা করবে প্রদেশ কংগ্রেস৷ বেলা একটা থেকে শুরু জনসভা৷ ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে কংগ্রেস কর্মীরা ধর্মতলামুখী হয়েছেন৷

তিন রাজ্য মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে ক্ষমতা দখল করার পর গতবছর ১২ ডিসেম্বরে রানী রাসমণিতে বিজয়োৎসব পালন করেছিল প্রদেশ কংগ্রেস৷ সেই সভায় তাদের ইতিহাসে রেকর্ড ভিড় হয়৷ কিন্তু লোকসভা ভোটে বাংলা তো বটেই গোটা দেশে কংগ্রেসের ফল শোচনীয়৷ তবে একুশের বিধানসভা ভোট মাথায় রেখে এখন থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস শুরু করেছে বিধানভবন৷ সিপিএমের সঙ্গে একজোট হয়েই এবার তারা লড়তে চলেছে৷

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র জানিয়েছেন, আজকের এই জনসভার পরই কংগ্রেস এবং বামপন্থী দলগুলির ঐক্য একদম বুথস্তর পর্য্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য আলোচনায় বসা হবে। এইসব ইস্যু নিয়েই জেলাস্তরে আন্দোলনে যাওয়া হবে।

অন্যদিকে, কলকারাখানা ও কাজের দাবিতে সেই সিঙ্গুর থেকেই নবান্ন অভিযান করছে বামেদের ১২টি ছাত্র-যুব সংগঠন। রয়েছে ছাত্রদের একগুচ্ছ দাবিও। ১২ সেপ্টেম্বর মিছিল শুরু হবে সিঙ্গুর থেকে। ডানকুনিতে রাত্রিযাপন। পরের দিন হাওড়া স্টেশন থেকে নবান্ন অভিযান। রাজ্য এসএফআই-এর দাবি, ২০ হাজার ছাত্র-যুব বৃহস্পতিবারের মিছিলে অংশ নেবেন।

এসএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, “পড়াশোনার খরচ কমানো, ছাত্র ভর্তিতে তোলাবজির টাকা ফিরিয়ে দেওয়া, কলেজ ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানো-সহ নানা দাবিতে ছাত্ররা মিছিলে অংশ নেবে। রাজ্যের যুবদের চাই কলকারখানা, চাকরি। তা না হলে প্রতি মাসে ৬ হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে।’’ তিনি জানান, নবান্ন অভিযানের প্রথম দিন সিঙ্গুর থেকে ডানকুনি যাওয়া হবে। এরপর সেখানেই রাত্রিযাপন। পরের দিন ডানকুনি থেকে হাওড়া স্টেশন হয়ে নবান্ন যাওয়া হবে।’’