স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  এসএসকেএমের প্রাক্তন অধিকর্তা ডাঃ প্রদীপ মিত্রের স্বেচ্ছাবসরের আবেদন গ্রাহ্য করল না রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷ সেইসঙ্গে কাজে যোগ না দেওয়ায় কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হল তাঁকে৷
বুধবার স্বাস্থ্য ভবনের রিসিভিং কাউন্টারে স্বেচ্ছাবসরের চিঠি জমা দিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ‘অতি আস্থাভাজন’ ডাঃ প্রদীপ মিত্র। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর আবেদন খারিজ করে দিল রাজ্য সরকার৷ প্রশাসনের যুক্তি, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে কোনও স্বেচ্ছাবসরের নিয়ম নেই৷ ডাঃ প্রদীপ মিত্র জানিয়েছেন, আবেদন মানা না হলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন৷
এসএসকেএম থেকে সাগর দত্ত হাসপাতালে বদলির নেপথ্যে শাসকদলের একাংশের চক্রান্ত আছে বলে দাবি করেছেন এসএসকেএমের প্রাক্তন অধিকর্তা৷ তাঁর কথায়, এই বদলি অপমানজনক৷প্রসঙ্গক্রমে এসএসকেএমে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথাও তিনি প্রকাশ্যে এনেছেন৷
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ভবনের এই সিদ্ধান্তের পর কুকুর কাণ্ডে বলি হওয়া ডাঃ প্রদীপ মিত্র আইনের পথে যাওয়া ছাড়াও রাজ্যের শাসকদলের অন্দরমহলের আর কী কী গোপন তথ্য ফাঁস করেন, এখন সে দিকেই তাকিয়ে রাজনীতি ও চিকিৎসা জগতের একশ্রেণির কায়েমি ও স্বার্থান্বেষী মহল৷

এই সংক্রান্ত আরও খবর

১.অস্বস্তির ‘বলি’ পিজি-র অধিকর্তা চাইলেন ইস্তফা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।