কলকাতাঃ  দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। একাংশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও নির্দেশ মানা হচ্ছে না। এমনটাই বিস্ফোরক অভিযোগ প্রবীর ঘোষালের।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে দলের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে বলেও মারাত্মক অভিযোগ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাস্তা সহ একাধিক কাজ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। কার্যত লাগাতার দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলে চক্ষুশূল হন তিনি। এরপর তাঁর সোমবারের মমতার সভায় না থাকা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়।

রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, তাঁর বিজেপিতে যোগ শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। যদিও সমস্ত কিছু মঙ্গলবার জানাবেন বলে জানিয়ে ছিলেন তিনি। সেই মতো আজ মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক।

সেখানে তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনেক নেতা শুনছে না। দলে কাজের পরিবেশ নেই। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বা বৈশালী ডালমিয়ার সুরেই তিনিও বলছেন, এই পরিস্থিতিতে কাজ করতে পারছি না। তবে দল যে তিনি এখনই ছাড়ছেন না তা কার্যত স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিকদের সামনে প্রবীরবাবু এদিন বলেন, “এখনই দল ছাড়ছি না। তবে আমাকে হারানোর জন্য দলে একটি চক্র তৈরি হয়েছে।”

এদিন সাংবাদিকদের মুখমুখি হয়ে প্রবীরবাবু আরও বলেন, “আমি ভেবেছিলাম বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব। কিন্তু বিধায়ক না থাকলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছি।” এরপরই জেলার তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্যপদ ও জেলা তৃণমূলের মুখপাত্রের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন প্রবীর ঘোষাল।

তবে কি তৃণমূলও ছাড়বেন তিনি? প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “কাজ করতে পারছিলাম না, নিজেকে ব্রাত্য মনে হচ্ছিল। তবে দল ছাড়ব কি না জানি না, সেসব নিয়ে ভাবিনি।” অন্যদিকে, প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রবীরবাবু।

বলেন, “রাজীবের মতো ভাল ছেলে কাজ করতে পারল না। আমাদের বুঝতে হবে পরিস্থিতি কোথায় গিয়েছে।” শুধু রাজীবের নয়, শুভেন্দু অধিকারীরও এদিন প্রসংসা শোনা যায় প্রবীরবাবুর মুখে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জেলার দুই আসন জিতলেও, হুগলি লোকসভা আসনে হেরে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। বহু বিধানসভা আসনে পিছিয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটে এই খারাপ ফলের কারণ হিসাবে উঠে আসে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব অভিযোগ।

যা মেটাতে কখনও তৃণমূল ভবনে, কখনও আবার কালীঘাটে ডেকে পাঠিয়ে মিটিং করেছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। উপরমহল থেকে একসাথে চলার বার্তা দিলেও আদপে তা যে হয়নি, খোদ দলনেত্রীর সভায় উত্তরপাড়ার বিধায়ক অনুপস্থিত থাকায় তাই স্পষ্ট হয়েছিল। তবে এবার প্রবীরবাবু কোন পথে হাঁটবেন সেদিনেই তাকিয়ে রাজনৈতিকমহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।