কলকাতা: ২০১৮-১৯ আইএসএল মরশুম শুরুর আগে স্পেনে প্রি-সিজন ক্যাম্পে গিয়ে হাঁটুতে গুরুতর চোট। এরপর গোটা মরশুমে আর মাঠে নামা হয়নি। চোট সারিয়ে রিহ্যাবের মধ্যে দিয়ে নিজেকে ধীরে-ধীরে সুস্থ করে তোলা এরপর ২০১৯-২০ মরশুমে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য মরিয়া ছিলেন এটিকে’র বাঙালি রাইট-ব্যাক প্রবীর দাস।

নিজে তো গোল করেছেনই। তবে গত মরশুমে ডানদিক থেকে রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসকে উদ্দেশ্য করে প্রবীরের বিষাক্ত ক্রসগুলো অনেক বেশি কার্যকরী হয়েছে এটিকে’র খেতাব জয়ের পিছনে। বিদেশি ফুটবলারদের ভিড়ে গত মরশুমে যে সকল দেশীয় ফুটবলাররা আইএসএলে নজর কেড়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রবীর দাস অন্যতম। সময় নষ্ট না করে রক্ষণের বাঙালি ফুটবলারটির সঙ্গে আরও তিন বছর চুক্তি বর্ধিত করে নিল এটিকে-মোহনবাগান।

মজার ব্যাপার হল ২০১৫-১৭ মোহনবাগানের হয়েই কলকাতা ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল প্রবীরের। ২০১৫-১৬ মরশুমে মোহনবাগানের হয়ে জিতেছেন ফেডারেশন কাপও। এরপর ২০১৬ যোগ দেন এটিকে’তে। জোসে মোলিনার প্রশিক্ষণে সে বছর এটিকে’র আইএসএল জয়ী দলেরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। অর্থাৎ, মোহনবাগানের জার্সিতে ফেডারেশন কাপ এবং এটিকে’র জার্সিতে দু’বার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এবার এটিকে-মোহনবাগানের হয়ে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাসের প্রিয় ছাত্র প্রবীরের সামনে।

এদিন প্রবীরের সঙ্গে আগামী তিন মরশুমের জন্য চুক্তি বর্ধিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় এটিকে-মোহনবাগানের টুইটার হ্যান্ডেলে। সেই পোস্টে দুই ক্লাবের জার্সিতে আলাদাভাবে বাঙালি রাইট-ব্যাকের সাফল্যের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। প্রবীর নিজেও ভীষণ খুশি সংযুক্তিকরণের পর নয়া এন্টিটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি সেরে। এক ভিডিওবার্তায় প্রবীর নিজেই জানালেন সে কথা।

প্রবীর ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘অনুরাগীদের এবং এটিকে-মোহনবাগান ম্যানেজমেন্টকে অনেক ধন্যবাদ। আমি এই ক্লাবে আরও তিন বছরের জন্য যুক্ত হলাম। আমি ভীষণই উত্তেজিত। আমার পুরনো ক্লাব এবং নতুন ক্লাব এখন এক হয়ে গিয়েছে। নতুন ক্লাবের জার্সি পরতে আমি মুখিয়ে রয়েছি। আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। তোমাদের সকলকে খুব ভালোবাসি, শীঘ্রই দেখা হচ্ছে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ