পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিপিএফ) অন্যতম জনপ্রিয় বিনিয়োগ প্রকল্প৷ বর্তমানে এই প্রকল্পে টাকা রাখলে মিলছে চড়া সুদ। ডাকঘর এবং বেশ কয়েকটি ব্যাংকের মাধ্যম খোলা যায় পিপিএফ অ্যাকাউন্ট৷ তাছাড়াও এই প্রকল্পে টাকা রাখলে মিলবে বেশ কিছু সুবিধা৷ একনজর দেখে নেওয়া যাক এই প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য৷

১) পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে ন্যূনতম ১০০টাকা দরকার৷এই টাকা নগদে অথবা চেক মারফত জমা করা যায় এবং চেকে জমা দিলে তা ক্লিয়ার হওয়ার দিন অ্যাকাউন্ট চালু বলে ধরা হয়৷ ২) প্রতি বছর অন্তত ৫০০টাকা জমা করতে হয় পিপিএফ অ্যাকাউন্টে এবং তা জমা করতে না পারলে বছরে ৫০টাকা পেনাল্টি হয়৷ ৩) বছরে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা জমা করা যায় পিপিএফে ৷

৪) কোনও ব্যক্তির একটি মাত্রই পিপিএফ অ্যাকাউন্ট রাখতে পারবেন৷ তবে কোন নাবালকের নামে একের বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা গেলেও সব মিলিয়ে বছরে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকাই জমা দেওয়া যাবে৷ ৫) কোনও অর্থবর্ষে সর্বোচ্চ ১২টি লেনদেন করতে পারা যায় পিপিএফ ডিপোজিট৷ ৬) পিপিএফের মেয়াদকাল ১৫ বছর তবে তা এক বছর এক বছর করে আরও পাঁচ বছর বাড়ান যায়৷

৭) অ্যাকউন্ট খোলার পর তিনটি অর্থ বর্ষ কেটে গেলেই পিপিএফ থেকে ঋণ নেওয়া যায়৷পিপিএফ থেকে যত সুদ পাওয়া যায় ঋণ নিলে তার থেকে ২ শতাংশ বেশি সুদ দিতে হয়৷ঋণ মেটাতে হবে ৩৬ মাসে৷অ্যাকাউন্ট খোলার তিন থেকে ছয় বছরে সময়ে জমা হওয়া অর্থের ২৫ শতাংশ ঋণ হিসেবে পাওয়া যায়৷ ৮) অ্যাকাউন্ট খোলার সপ্তম বর্ষ থেকে জমা টাকা তুলতে পারা যায়৷ চতুর্থ বর্ষের শেষে অথবা তিন বছরে আগে যা জমা রয়েছে তার ৫০ শতাংশ তোলা যাবে৷

৯) উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা মতো কারণ দেখিয়ে পাঁচ বছর চালানোর পর এই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারেন৷ ১০) এই অ্যাকাউন্ট কোনও ব্যাংক অথবা ডাকঘর থেকে অন্যত্র ট্রান্সফার করা যায়, সেক্ষেত্রে ওই পিপিএফ অ্যাকাউন্টটি ধারাবাহিক চলছে বলেই ধরা হয়৷