লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বাংলায় গেরুয়া শিবিরে ঝড় উঠেছে। কাউন্সিলর থেকে শাসকদলের বিধায়ক একে একে নাম লিখিয়েছে বিজেপি শিবিরে। যা নিঃসন্দেহে চাপ বাড়িয়েছে শাসকদল তৃণমূল শিবিরে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন।

যেভাবে শাসকদল তৃণমূলকে ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন বিজেপি নেতারা তাতে চাপ আরও বেড়েছে। আর তাই কোনও রিস্ক না নিয়েই পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটিজিস্ট প্রশান্ত কিশোরের শরণে খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কীভাবে বাংলায় বিজেপিকে রুখে দেওয়া যায় পিকের ছকে দেওয়া পথেই হাঁটছে এখন তৃণমূল।

আর তাতে হাতেনাতে নাকি ফলও পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করছে তৃণমূল। তৃণমূলে পিকে’র টিম কাজ করার পর থেকেই দল ছেড়ে যাওয়া নেতা-কাউন্সিলরদের ঘর বাপসি করাচ্ছে তৃণমূল। আগামিদিনে নাকি বিজেপিতে যোগ দেওয়া অনেকেই ফিরে আসবে বলে ইতিমধ্যে দাবি করছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। শুধু তাই নয়, বিজেপিরও সংগঠনেও তৃণমূল এবার থাবা বসাবে বলে পালটা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। আর সেই মতো উত্তরের এক পভাবশালী প্রাক্তন বিজেপি নেতাকে ছিনিয়ে নিল তৃণমূল।

লোকসভা নির্বাচনে উত্তরে বেশ ভালো ফল করেছে বিজেপি। বেশ কয়েকজন সাংসদও পেয়েছেন তারা। সেখানে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গোছাতেও শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রাক্তন বিজেপি নেতা শিবশঙ্কর দত্তকে ছিনিয়ে নিল তৃণমূল। শাসকদলে যোগ দিলেন তিনি। গত কয়েকদিন আগে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি।

জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ময়নাগুড়ি ২ নম্বর ব্লক সভাপতি শশাঙ্ক রায় বসুনিয়াকে জেলা কমিটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শশাঙ্কবাবুর জায়গায় বসানো হয়েছে শিবশঙ্কর দত্তকে। তৃণমূলে যোগ দিয়ে শিবশঙ্করবাবু জানান, আগামী কয়েকদিনের ময়নাগুড়ির বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে ফিরিয়ে আনবেন তিনি।

যদিও এই বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।