কলকাতা: সিইএসসি কর্তৃপক্ষের কাছে রাজ্যের বিদ্যুতমন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় জানতে চান ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম বেশি হওয়ার কারণ কি? তারই প্রেক্ষিতে সংস্থার কর্তারা জানিয়েছেন, সিইএসসি-র অনেকটা এলাকাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়ে থাকে ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাই ইউনিট প্রতি দাম কিছুটা বেশি৷ যদিও এমন ব্যাখ্যায় ঠিক সন্তুষ্ট হননি মন্ত্রী৷ ফলে তিনি তাদের কাছ থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন৷

প্রসঙ্গত, বিধানসভায় প্রশ্ন ওঠে – একই রাজ্য অথচ ভিন্ন দাম বিদ্যুতের হয় কেমন করে? সিইএসসি-র এলাকায় বিদ্যুতের দাম রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির চেয়ে বেশি।এ রাজ্যে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নেয় ৭ টাকা ১২ পয়সা। অথচ সিইএসসি নেয় প্রতি ইউনিটের জন্য ৭টাকা ৩১ পয়সা৷

আরও পড়ুন : চুরি যাওয়া পুকুর ফের খনন, ডবল কাটমানি খাওয়ার অভিযোগে বিদ্ধ তৃণমূল

কেন একই রাজ্যে ভিন্ন এলাকায় বিদুতের দামে ফারাক তা নিয়ে বুধবার বিধানসভায় প্রশ্ন তোলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী ৷ তখন সেই প্রশ্নের মুখে পড়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, তিনি সিইএসসি-র সঙ্গে বৈঠক করে এই বিষয়ে কারণ জানতে চাইবেন৷ এই দামের ফারাকের কারণ জানতেই মন্ত্রী বৃহস্পতিবার দিনই সিইএসসি-র কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন৷

ওইদিন সুজন চক্রবর্তী পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রশ্ন তুলেছিলেন, এ রাজ্যে অন্য রাজ্যেগুলির তুলনায় বিদ্যুতের দাম বেশি কেন? তিনি উল্লেখ করেন,তামিলনাড়ু, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ এবং ওড়িশায় বিদ্যুতের দাম যথাক্রমে ৩ টাকা ৫৩ পয়সা, ৪ টাকা ৩ পয়সা, ৪ টাকা ৭০ পয়সা এবং ৪ টাকা ৪৫ পয়সা।

পাশাপাশি সেদিন শোভনদেব মনে করিয়ে দেন, বিদ্যুতের দাম কিন্তু সরকার ঠিক করে না।দাম নির্ধারণের জন্য রয়েছে বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশন৷ তাছাড়া পাল্টা যুক্তি হিসেবে বিদ্যুৎমন্ত্রী দাবি করেন, মহারাষ্ট্র অথবা দিল্লির চেয়ে এ রাজ্যে বিদ্যুতের দাম কম।