সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়: আম-বাঙালির হেঁশেলে ফিরছে স্বস্তি। আলুর আকাশছোঁয়া দামে গত কয়েক মাসে নাকানিচোপানি খেয়েছেন রাজ্যের মানুষ। তবে এবার ফিরেছে স্বস্তি। অনেকটাই কমেছে আলুর দাম।

সবজির দাম সাধ্যের মধ্যে। মাছ, মাংস, ডিমের দামে একেবারেই কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু আলু? বাড়তে বাড়তে ৫০ ছুঁয়েছিল। মাঝে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল পেঁয়াজের দাম। তাও কমে সাধ্যের মধ্যে আসে। আলুর দাম কমার নাম ছিল না। এবার তা লাফিয়ে কমে এক্কেবারে ত্রিশের ঘরে।

তাও এক সপ্তাহের মধ্যে এই দামের পতন। গত রবিবারও আলুর দাম কোনও বিক্রেতা ৫০এর এক আনা কমে দিতে নারাজম তারাই ক্রমে প্রথমে ৪৫, তারপর ৪০ হয়ে এখন আলু মিলছে ৩০ থেকে ৩৩ টাকা প্রতিকিলোর মধ্যেই। সৌজন্য অবশ্যই রাজ্য সরকার।

এতদিন বারবার মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেও হিমঘর থেকে আলু বার করেনি মালিকরা। এবার চাপ পড়তেই ‘বাপ’ বলেছে। লাখ লাখ টন জমিয়ে রাখা আলু বেরোচ্ছে হিমঘর থেকে। ফল দাম হু হু করে কমেছে। স্বস্তি ফিরছে রাজ্যের মানুষের হেঁশেলে।

নবান্ন সূত্রের খবর, সরকারি নির্দেশে সম্প্রতি রাজ্যের হিমঘরগুলো থেকে হেঁচকা টান দিয়ে সাত লক্ষ টন আলু বের করানো হয়েছে। তার জেরেই বাজারে আলুর জোগান বেড়েছে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই এর দাম কমেছে। হিমঘর আইন অনুযায়ী, প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর থেকে হিমঘরের দরজা বন্ধ হয়। সাধারণত অন্যান্য বছরে সরকার এই সময়সীমায় কিছুটা ছাড় দেয়। তবে এ বার রাজ্য সরকার সেই ছাড় দেয়নি। আলু তাই বের করতেই হয়েছে হিমঘর থেকে।

সরকারের তরফে বার বার বলা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা হিমঘর থেকে প্রয়োজনের থেকে কম আলু বের করেছিল। এর জেরেই দাম বাড়ছিল। এর পিছনেও আবার অন্য কারন রয়েছে। সেখানে রয়েছে কৃষি আইন। নবান্নের আরও, কেন্দ্রীয় আইনের ঠেলায় অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাজ্যের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের একাংশ সেই সুযোগটা নিয়েছিল। রাজ্য সরকার জনস্বার্থে আলুর দাম কিছুটা লাগামের মধ্যে রাখতে বার বার তাঁদের অনুরোধ করেছিল। কিন্তু কেউ তা শোনেনি। তাই দাম ওই জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। পাশাপাশি, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ থেকে নতুন আলু বাজারে ঢোকায় জোগানও বেড়েছে বলে। এবং দাম কমেছে আলুর। সব মিলিয়ে আলুর দামে ভারসাম্য ফিরছে বাজারে বাজারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।