প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : বাজারে আকাশছোঁয়া আলু থেকে শুরু করে সমস্ত সবজির দাম। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের পকেট বাঁচাতে রাজ্য সরকারের কৃষি ও বিপনন বিভাগের ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে ন্যায্য মূল্যে ২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে আলু বিক্রি শুরু হল বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে।

বুধবার করোনা সংক্রান্ত যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্য সরকারের কৃষি ও বিপনন বিভাগের ভ্রাম্যমাণ গাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় আলু কেনেন সাধারণ মানুষেরাা।

উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরে এদিন সকালে রাজ্য সরকারের কৃষি ও বিপনন বিভাগের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ গাড়ি করে আলু নিয়ে এসে ন্যায্য মূল্যে ২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে নাগরিকদের মধ্যে আলু বিক্রি শুরু হয়।

বিভিন্ন বাজারে ও দোকানে যেখানে বর্তমানে জ্যোতি আলু প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, চন্দ্রমুখী আলু বিক্রি হচ্ছে কমপক্ষে ৪৫ টাকা বা ৫০ টাকা প্রতি কেজি দরে । সাধারন মানুষ যাতে ন্যায্য মূল্যে আলু কিনতে পারেন সেই জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যের অন্যান্য জেলার সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও শুরু হয়েছে ন্যায্য মূল্যে আলু বিক্রি ।

মাত্র ২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে জ্যোতি আলু বিক্রি শুরু হয়েছে রাজ্য সরকারের কৃষি বিপনন বিভাগের পক্ষ থেকে । এদিন বারাকপুর শহরে দেখা গেল, রাজ্য সরকারের ভ্রাম্যমাণ গাড়ি থামতেই সাধারণ মানুষ মুখে মাস্ক পড়ে করোনা স্বাস্থ্য বিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লাইন দিয়ে নিজেদের প্রয়োজন মত আলু কিনছেন । কৃষি ও বিপনন বিভাগের আলু বোঝাই গাড়ি বারাকপুর বারাসত রোডে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে নাগরিকদের আলু বিক্রি করেছেন।

কৃষি ও বিপনন বিভাগের কর্মীরা জানিয়েছেন, সাধারন মানুষের সুবিধার্থে তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ন্যায্য মূল্যে আলু বিক্রি করছেন । সাধারন নাগরিকরা ভীষন খুশি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্য মূল্যে আলু কিনতে পেরে।

এদিন নায্যমূল্যে আলু কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, “ন্যায্য মূল্যে আলু কিনতে পেরে সাধারন মানুষ ভীষন উপকৃত হচ্ছে । বাজারে সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া, সেখানে দাঁড়িয়ে আলু সেদ্ধ ভাত খেতে রাজ্য সরকার ন্যায্য মূল্যে যেভাবে আলু বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এই করোনা আবহে দাম বেড়েছে পেঁয়াজেরও। কেন্দ্র সরকার দায়ী পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় ।সকলেই চাইছেন অগ্নিমূল্য বাজারে সবজির দাম সাধারন মানুষের হাতের নাগালে আসুক ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।