কলকাতা : যা পরিস্থিতি তাতে চলতি মরসুমে আলুর অতি ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কৃষকরা যাতে আলুর ন্যায্য দাম পায় তার জন্য ওই আলু কিনে নেওয়া হবে বলে রাজ্য সরকার ঠিক করেছে। এক্ষেত্রে অবশ্য আলু কেনার দায়িত্ব হিমঘরে মালিকদের দেওয়া হচ্ছে। নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে  এমন সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

এমনিতেই নয়া কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে গত প্রায় তিন মাস ধরে আন্দোলন করছে কৃষকেরা। সেই পরিস্থিতিতে আলু চাষিদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকারের এমন সিদ্ধান্তের একটা আলাদা তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও এ রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের দামাদা বেজে গিয়েছে। রাজ্যের শাসক তৃণমূলের প্রতিপক্ষ হয়ে ক্রমশ উঠে আসছে বিজেপি। সেই পরিস্থিতিতে আলুচাষিদের ন্যায্য দাম দেওয়ার ব্যবস্থা করে রাজ্যের শাসক শিবির কৃষকদের সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্য মনে করছে, এবার যদি আলুর অতিফলন হয় তাহলে বাজারে চাহিদার তুলনায় বেশি আলু চলে আসবে। আলুর বেশি যোগানের ফলে দাম পড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে যেসব জেলাগুলিতে মূলত আলু চাষ হয় যেমন-হুগলি , পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া বীরভূম হাওড়া মুর্শিদাবাদ কোচবিহার জলপাইগুড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর আলিপুরদুয়ারে বেশ কয়েক লক্ষ আলু চাষী বিপাকে পড়তে পারে বলে মনে করছে নবান্ন। তাই এমন রক্ষাকবচের কথা ভাবা হয়েছিল। এক্ষেত্রে হিমঘরগুলি চাষীদের কাছ থেকে আলু কেনার দায়িত্ব পাবে। তার ফলে ছয় টাকা কেজি দরে চাষীদের কাছ থেকে হিমঘরগুলি আলু কিনে নেবে। সেক্ষেত্রে মরসুমে শুরুতে ১০ লক্ষ মেট্রিক টন আলু কেনা হবে। এই সময় হিমঘর আলু কিনতে গিয়ে কোন রকম সমস্যায় পড়লেন আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। কারণ এর আগেও এই পদ্ধতিতে চাষীদের কাছ থেকে আলু কেনা হয়েছিল এবং তখন হিমঘর গুলিকে ব্যাংক ঋণ পেতে রাজ্য সরকার সহায়তা করেছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।