সেই মায়ের হাতের রান্না স্বাদ জিভে চলে এলো তো?

পোস্তর (poppy seeds) সঙ্গে প্রতিটি বাঙালি এতটাই একাত্মতা অনুভব করে যে কারো দেশের বাড়ির কথা মনে পড়ে যায়, কারো বা ঠাকুরমার বা দিদিমর হাতের বানানো আলুপোস্ত বা বড়ার মতো রেসিপির কথা মনে পড়ে যায় অথবা নিজের মায়ের মুখ মনে পড়ে।

তাই এই কথাটির প্রতিটি বাঙালি মন থেকে এবং আবেগ দিয়ে ভালোবাসে। দাম যতই ঊর্ধ্বে উঠুক সপ্তাহে একদিন হলেও বাঙালির পাতে থাকবে এই বিশেষ পদটির কোন না কোন রেসিপি (poppy seeds)।

বড় থেকে ছোট প্রত্যেকের কাছেই পদটি (poppy seeds) প্রিয়। তাদের সেই ভালোবাসাকে আবার মনে করিয়ে দিতে আমরা নিয়ে চলে এলাম একটি সহজ রেসিপি যার নাম “নারকেল পোস্ত বড়া”।

আরো পোস্ট-  সম্পত্তি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে…জানুন ভাগ্য

উপকরণ: কুড়িয়ে রাখা নারকেল এক কাপ, গোটা কাঁচা লঙ্কা তিনটে, এক টেবিল চামচ বেটে রাখা পোস্ত, এক চা চামচ কালোজিরা, এক টেবিল চামচ সাদা ময়দা, নুন ও চিনি স্বাদ মত, দুই টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো এবং এক কাপ সরষের তেল।

কীভাবে বানাবেন: একটি পাত্রে নারকেল, কাঁচা লঙ্কা, পোস্ত, কালো জিরে, ময়দা, চালের গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাখা হয়ে গেলে এতে নুন এবং চিনি যোগ করুন।

এরপর এর থেকে লুচির মতো ছোট ছোট চ্যাপ্টা করে লেচি গোল গোল বড়ার আকারে গড়ে নিন। এরপর প্যানে বেশি পরিমাণে তেল গরম করে একটা একটা করে বড়া দিন।

গাঢ় বাদামি রং করে ভাজুন। রেডি নারকেল পোস্তর বড়া।

গরম ভাতে বিউলির ডাল আর পোস্তর বড়া দিয়ে একেবারে জমে যাবে দুপুরের খাবার। আবার বিকেলে চায়ের সঙ্গে গরম গরম খেতে পারেন বড়াগুলি

এই সুস্বাদু পদটি বাড়িতে হঠাৎ অতিথি এলেও আপ্যায়নের জন্যে মন্দ নয় একেবারেই। আবার দুপুরের পাতে পরিবারকেও চমকে দিন পোস্তর বড়া বানিয়ে।

পোস্তর বীজ হজমের সমস্যা (indigestion) নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এছাড়াও মাথাব্যাথ্যা (headache), কাশি, এজমা (asthma) নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.