ফাইল ছবি

কলকাতা: ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বুধবার কড়া সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, সেই চিঠির জবাব না মেলায় রাজ্যকে ফের একবার চিঠি পাঠালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয়কুমার ভাল্লা। হিংসা রুখতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের কাছে। এমনকী, এখনও যদি কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তবে রাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার ইঙ্গিতও রয়েছে এই চিঠিতে।

রবিবার ভোটের ফল বেরোনোর পর বিজেপি-র তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাজ্যে একাধিক জায়গায় তাঁদের দলের কর্মীদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে খুন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে গেরুয়া শিবির। এই অভিযোগে সোমবারই রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁদের ৬ জন কর্মীকে খুন করা হয়েছে।  ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যপালকে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথগ্রহণের দিনও রাজ্যে হিংসা ও রক্তপাত থামানোর দাবিতে ধর্নায় বসেছিলেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (CM Mamata Banerjee) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সময়েই বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা রোখার শপথ নেন।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী গৌরব ভাটিয়া পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। আবেদনে তিনি সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান শীর্ষ আদালতের কাছে। বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া বলেন, ‘‘ভোট পরবর্তী হিংসায় পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে অনেক রাজনৈতিক কর্মীর। এখনও হিংসা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে কোনও সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা প্রয়োজন। এবং মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করা উচিত।’’ শুধু সিবিআই তদন্তের দাবিই নয়, রাজ্যে ঘটে চলা হিংসার ঘটনার খতিয়ানও চেয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই সব ঘটনায় কটা এফআইআর হয়েছে আর তার পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার হিসেব দিতে হবে রাজ্যকে।

তবে ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার সাধারণ মানুষ এবং সব রাজনৈতিক দলকেই শান্ত সংযত থাকার আবেদন করেছেন। কোনওরকম অশান্তি হলে প্রশাসনিক প্রধান ও পুলিশ কর্তাদের কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার দেখার কেন্দ্রের এই চিঠির কী জবাব দেয় নবান্ন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.