স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: লকডাউনে ক্ষতির মুখে পড়েছে দিন আনি দিন খাই পামুস্রা। সমস্যায় গ্রাম্য জন জীবন। মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে গ্রাম্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্বপ্ন দেখার উজান গাং। তবে তাদেরও মাঝে মাখে সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে। বুঝেছিলেন ডাক বিভাগের কর্মীরা। ডাক না দিলেও নিজেরাই এগিয়ে এসেছেন । পাশে দাঁড়িয়েছেন করোনার এই ভয়ঙ্কর সময়েও প্রতিনিয়ত সাধারনের স্বার্থে থাকা একদল যুবক যুবতীর।

দেশজুড়ে করোনা মোকাবিলায় দীর্ঘ ২১ দিনের লকডাউনের জেরে ইতিমধ্যেই আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে বহু দিন আনা দিন খাওয়া পরিবার।আমতা-১,বাগনান-১,উলুবেড়িয়া-২ সহ বিভিন্ন ব্লকের এরকমই বহু প্রান্তিক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আমতার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ’।ইতিমধ্যেই তারা প্রায় ৫০০ পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে চাল,আলু,ডাল,তেল,কাঁচা আনাজ সহ বিভিন্ন সামগ্রী।পাশাপাশি,হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পৌঁছে দিচ্ছেন এই অগ্রণী যুব সংগঠনটির সদস্যরা।

তাঁদের এই লড়াইকে আরও সুসংসত করতে এগিয়ে এলো ভারতীয় ডাক বিভাগের কর্মচারী সংগঠনের এন.এফ.পি.ই(হাওড়া জেলা শাখা)-এর সদস্যরা।তাঁদের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির হাতে নগদ দশ হাজার টাকা তুলে দেন আমতার ভারপ্রাপ্ত পোস্ট মাস্টার সীতারাম হাজরা।সংগঠনটির তরফে জানানো হয়েছে তাঁদের পক্ষে সরাসরি প্রান্তিক পরিবারগুলির দ্বারে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।তাই আমতার এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মধ্য দিয়েই তাঁরা অসহায় মানুষগুলির পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করছেন।স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির পক্ষ থেকে ডাক কর্মচারীদের হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তুলে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল, করোনা মোকাবিলায় দেশে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে। উল্লেখ্য়, ভাইরাস রুখতে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্য়। এ প্রসঙ্গে সরকারের এক সূত্র জানিয়েছিলেন, ”লকডাউন বাড়ানোর জন্য় একাধিক রাজ্য় আর্জি জানিয়েছে কেন্দ্রের কাছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ‘একবারে লকডাউন তোলা হবে না। তিনি এও বলেছেন যে, প্রাক করোনা ও করোনা পরবর্তী সময় এক নয়’।