নয়াদিল্লি: দেশে চলছে করোনা প্রকোপ। এসময় টাকা পয়সার দরকার প্রত্যেকের। এহেন পরিস্থিতিতে সকলে চাইছেন, এমন জায়গায় টাক রাখতে যেখানে ভালো সুদের পাশাপাশি টাকা যেন নিরাপদ থাকে। এক্ষেত্রে সঠিক জায়গা হল পোস্ট অফিস।

পোস্ট অফিসে মাসিক সেভিংস স্কিমে বিনিয়োগ করে বছরে সুদ পাওয়া যেতে পারে ৬.৬ শতাংশ হারে। যা কিনা অনেক ব্যাংকের থেকেই বেশি।

স্কিম সম্পর্কিত বিশেষ কথা

পোস্ট অফিসের এই প্রকল্পের আওতায় সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। স্কিম শেষ হওয়ার পরে আপনার পুরো টাকাই আপনি ফেরত পাবেন। এই স্কিমের মেয়াদও বেশি না। মাত্র ৫ বছর। পরে আপনি পুনরায় এই স্কিমে টাকা জমাতে পারেন। অর্থাৎ আপনি এই অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার জন্য নিয়মিত আয়ের গ্যারান্টি পেতে পারেন।

আপনার অ্যাকাউন্টটি যদি একার হয় তবে আপনি সাড়ে চার লাখ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। অন্যদিকে, আপনার যদি যৌথ অ্যাকাউন্ট থাকে তবে এতে সর্বাধিক ৯ লক্ষ টাকা জমা দেওয়া যেতে পারে।

মাসিক বিনিয়োগ প্রকল্পের সুবিধা কী?

মাসিক বিনিয়োগ প্রকল্পের আওতায়, বার্ষিক সুদ ৬.৬ শতাংশ। এই সুদ ১২ টি মাসের মধ্যে ভাগ করা হয় ও প্রত্যেক মাসে এই সুদ জমা পড়তে থাকবে অ্যাকাউন্টে। আপনি যদি মাসে এই অর্থ না তোলেন তবে ওই টাকার ওপরেও সুদ পাবেন আপনি। আপনি যদি ম্যাচিউরিটিউর আগে টাকা তুলতে চান, সেক্ষেত্রে স্কিমের বয়স হতে হবে নূন্যতম ১ বছর।

তবে আপনি যদি আপনার স্কিমটি ১ থেকে ৩ বছরের মধ্যে থামিয়ে দেন, সেক্ষেত্রে আপনার জমা হওয়া পরিমাণ থেকে ২ % কেটে নেওয়ার পরে, আপনি অবশিষ্ট টাকা ফেরত পাবেন। যদি অ্যাকাউন্টটি ৩ বছরের পুরনো হয়, সেক্ষেত্রে ১ শতাংশ বাদ দিয়ে পুরো টাকা ফেরত পাবেন। স্কিমটি সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আপনি যখন টাকা তুলবেন তখন পুরো টাকাই পাবেন।

কত রিটার্ন পাবেন?

আপনি যদি এই স্কিমের আওতায় সাড়ে চার লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তবে আপনি বার্ষিক ২৯ হাজার ৭০০ করে টাকা পাবেন। অর্থাৎ মাসে ২৪৭৫ ভটাকা।

কীভাবে অ্যাকাউন্ট খুলবেন?

এজন্য প্রথমে পোস্ট অফিসে সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এর পরে পোস্ট অফিস থেকে মাসিক আয় স্কিমের জন্য একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফরমের সঙ্গে জমা দিতে হবে ১০০০ টাকা। এর পরে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলবে। তাহলে আর দেরি কীসের?

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ