নয়াদিল্লি: ব্যাংকে অনেকেই টাকা পয়সা রাখেন, তবে আজকাল ব্যাংক সুবিধাভোগীদের প্রায়ই বলতে শোনা যায়, তাঁদের আশা মত সুদ তাঁরা পাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে বড় অপশন হতে পারে পোস্ট অফিস। আপনি যদি কোনও পোস্ট অফিসে টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে না। পোস্ট অফিসের অনেকগুলি স্কিম রয়েছে, যেগুলিতে বিনিয়োগ করলে কোটিপতি হওয়া যেতে পারে।

পোস্ট অফিসের যে প্ল্যান নিয়ে কথা হবে। তাঁর বেশিরভাগগুলিতেই কোটিপতি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। যে স্কিমগুলির কথা বলা হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিপিএফ), রেকারিং ডিপোজিট-এর মতো স্কিমগুলিও।

পিপিএফ-এ বিনিয়োগকারীরা বার্ষিক সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জমা করতে পারবেন। মাসে সর্বোচ্চ জমা করা যেতে পারে ১২ হাজার ৫০০ টাকা। এই স্কিমে ম্যাচিউরিটির সময় ১৫ বছর। তবে এরপরেও ৫-৫ বছর বাড়ানো যেতে পারে মেয়াদ।

এই প্রকল্পে বর্তমানে সুদের হার বার্ষিক ৭.১ শতাংশ। আপনি যদি প্রতি বছর ১.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে ২৫ বছরে বিনিয়োগ হবে ৩৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু ২৫ বছর পর ম্যাচিউরিটি হলে মোট টাকার পরিমাণ হবে ১.০৩ কোটি টাকা।

আরডিতে জমা করা যেতে পারে সর্বাধিক পরিমাণ টাকা। এর ক্ষেত্রে কোনও সীমা নির্ধারিত নেই। এমনকি যত বছরের জন্য খুশি বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যদি বছরে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা করা হয়, তবে চক্রবৃদ্ধিযুক্ত সুদ অনুযায়ী ২৭ বছর পরে মিলবে ৯৯ লক্ষ টাকা।

আপনি যদি এনএসসিতে বিনিয়োগ করেন তবে প্রতি বছর দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করে আপনি কর ছাড় পেতে পারেন। এতে ম্যাচিউরিটির সময় পাঁচ বছর। বার্ষিক সুদ পাওয়া যায় ৬.৮ শতাংশ হারে।

এছাড়া ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রেও জমার অধিকতম কোনও সীমা নেই। ৫ বছরে ফিক্সড ডিপোজিটে মেলে ৬.৭ শতাংশ সুদ। এটিও বিরাট লাভজনক স্কিম।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা