নয়াদিল্লি: প্রত্যেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের টাকা দ্বিগুণ করতে চায় তবে একই সঙ্গে তাঁরা চায়, তাঁদের অর্থের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা থাকবে। যদি আপনি অনেক বেশি লাভ চান, সেক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ইক্যুইটিগুলিতে বিনিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে একটু ঝুঁকি থেকেই যায়।

অন্যদিকে আপনি যদি পোস্ট অফিসে বিনিয়োগ করেন, তবে ঝুঁকি অনেক কম। বিশেষত আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করার কথা ভাবছেন, তবে পোস্ট অফিসে কিসান বিকাশ পত্র (কেভিপি) প্রকল্পটি আপনার জন্য সর্বোত্তম বিকল্প হতে পারে।

কিষান বিকাশ পত্র ভারত সরকারের এককালীন বিনিয়োগের পরিকল্পনা, যেখানে আপনার অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্বিগুণ হয়। দেশের সমস্ত ডাকঘর এবং বড় ব্যাংকগুলিতে এই স্কিম রয়েছে। এর ম্যাচিউরিটি হয় ১২৪ মাসে। এতে সর্বনিম্ন বিনিয়োগ হয় ১০০০ টাকা। সর্বাধিক বিনিয়োগের সীমা নেই। ডাকঘরের স্কিমগুলিতে সরকারী গ্যারান্টি পাওয়া যায়, এটিতে কোনও ঝুঁকি নেই।

  •  কিসান বিকাশ পত্র কী? (কেভিপি)

এই প্রকল্পের সময়কাল ১২৪ মাস অর্থাৎ ১০ বছর ৪ মাস। এই স্কিমে জমা দেওয়া একক অঙ্কের পরিমাণ ১০ বছর ৪ মাসের দ্বিগুণ হয়ে যায়। আপনি সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন। এই স্কিমে বিনিয়োগের সর্বাধিক সীমা নেই, অর্থাত আপনি এই স্কিমটিতে যতটা চান টাকা যোগ করতে পারেন। এই প্রকল্প ১৯৮৮ সালে শুরু হয়েছিল, যখন এটি কৃষকদের বিনিয়োগ দ্বিগুণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, কিন্তু এখন এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এই স্কিমে বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগকারীর বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৮। এটিতে যৌথ অ্যাকাউন্টের সুবিধাও রয়েছে। তাই কোনও অপ্রাপ্তবয়স্কদেরও এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে সেক্ষেত্রে তাঁর বাবা মাকে তাঁর সঙ্গে যৌথ ভাবে থাকতে হবে। স্কিমটি ট্রাস্টের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • আধার কার্ড
  • প্যান কার্ড
  • ভোটার আইডি কার্ড
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • পাসপোর্ট
  • কেভিপি আবেদনের ফর্ম
  • ঠিকানা প্রমাণ
  • বার্থ সার্টিফিকেট

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।