ফাইল ছবি

সুভাষ বৈদ্য,কলকাতা: করোনায় মৃত কিনা ও মৃত্যুর সঠিক সময় জানতে ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত পুলিশের৷ খোদ কলকাতায় সম্ভবত এই প্রথম নজিরবিহীন ঘটনা৷ পরিবারের দাবি সঠিক হলে,সেটা হবে মিরাক্কেল ঘটনা৷

মৃতদেহ ২ দিন ভেন্টিলেটরে রেখে বিল বাড়ানোর অভিযোগ কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে৷ এছাড়া নার্সিংহোমের করা করোনা রিপোর্টও ভুয়ো বলে দাবি করছেন মৃতের পরিবার৷ পার্ক সার্কাসের ওই বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে কড়েয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতের পরিবার৷ পাল্টা অভিযোগ নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষেরও৷

নার্সিংহোমের দাবি, করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩১ অগস্ট রোগীর মৃত্যু হয়েছে৷ নিয়ম অনুযায়ী, করোনা আক্রান্ত দেহ পরিবারের হাতে তুলে না দিয়ে, তা পুরসভার হাতে তুলে দিতে হয়৷ সেক্ষেত্রে পুরসভার যে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট আছে, তাতে মৃতের পরিবারকে সই করতে হয়, মৃতের পরিবার সেই সই করছিলেন না৷

এদিকে উভয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এনআরএস হাসপাতাল৷ সেখানকার মর্গে রাখা হয়েছে দেহ৷ এবার ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃতদেহের মৃত্যুর সঠিক তারিখ ও সময় জানতে চায় পুলিশ৷ পরিবারের দাবি মৃত্যু হয়েছে ২৯ অগস্ট৷ আর নার্সিংহোম বলছে ৩১ অগস্ট৷

এছাড়া মৃত দেহের ফের করোনা টেস্ট করা হবে৷ করোনা আক্রান্ত হয়েই মৃত হয়েছে কিনা তা জানতে চায় পুলিশ৷ কারণ নার্সিংহোম বলছে রোগী করোনা পজিটিভ ছিল৷ আর পরিবারের দাবি, ওই নার্সিংহোমের রিপোর্ট ভুয়ো৷

এর আগেও একাধিক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে৷ হাসপাতালের সামনেই অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্য়েই পড়ে থেকে মৃত্যু করোনা রোগীর৷ এমনই অভিযোগ উঠেছিল একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে৷ ঘটনাটি জানতে পেরেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন৷

ওই হাসপাতলের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন৷ রোগীর পরিবারের কোনও লিখিত অভিযোগ ছাড়াই এই মামলা করে তদন্ত শুরু করে কমিশন৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।