মুম্বই: জালিয়াতি আটকাতে চেক পেমেন্টের ক্ষেত্রে এবার নতুন নিয়ম আনতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাংক। যদি চেকের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকার বেশি পেমেন্ট করতে হয় সেক্ষেত্রে তা নতুন করে যাচাই করে নেওয়া হবে। নয়া এই পদ্ধতির নাম ‘পজিটিভ পে সিস্টেম’ এবং ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই ব্যবস্থা চালু হবে।

নতুন ব্যবস্থায় ৫০ হাজার টাকার বেশি অংকের চেক হলে সেক্ষেত্রে স্বাক্ষর যাচাই করা ছাড়াও আরও কিছু যাচাই করে নেবে ব্যাংক। তবে এই পরিষেবা নেওয়াটা গ্রাহকের উপর নির্ভর করছে, যদি তিনি চান তবেই এই সুবিধা দেবে ব্যাংক।

তবে যদি চেকের অংক পাঁচ লক্ষ টাকা বা তাঁর বেশি হয় তখন এই ‘পজিটিভ পে সিস্টেম’ নিতেই হবে অর্থাৎ সেটা বাধ্যতামূলক হতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় প্রাপক চেকটি তার ব্যাংকে জমা দিলে যিনি চেক কেটেছেন তার কাছ থেকে ব্যাংক কিছু তথ্য যাচাই করে নেবে ওই চেকটি পাস করার আগে।

সে ক্ষেত্রে কার নামে চেক কাটা হয়েছে, তারিখ, টাকার পরিমান ইত্যাদি তথ্য যাচাই করে নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে কোন রকম গরমিল পেলে ওই চেক আটকে দেওয়া হবে। আর যদি কোনরকম গরমিল না পাওয়া যায় তাহলে ওই চেকের টাকা প্রাপকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যাবে।

ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া সব ব্যাংক গুলিকে ‘পজিটিভ পে সিস্টেম’ এর আওতায় আনবে। আগামী বছর থেকে এই নয়া ব্যবস্থা চালু করা হবে তবে তার আগে ব্যাংকগুলিকে তাদের গ্রাহকদের এই ব্যাপারে সচেতন করতে বলা হয়েছে।

এজন্য ব্যাংকের সব শাখাতে এই বিষয়ে তথ্যাদি লিখিতভাবে টাঙ্গিয়ে রাখার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া এটিএম এবং নেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করার কথা বলা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।