লন্ডন: এত নেগেটিভিটির মধ্যে মানুষ শুধ একটাই আশার মুখ চেয়ে বসে আছে। যার নাম ভ্যাক্সিন। কবে প্রতিষেক আসবে, তবে যদি আবার পুরনো ছন্দে ফেরা যায়।

আর এই ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে সবার আগে যারা আলো দেখাতে শুরু করেছিল, তাদের মধ্য অন্যতম ‘অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি’। এরাই সবার আগে হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করে। তাই সেদিকেই তাকিয়ে বসে আছে গোটা বিশ্ব। আর সেখান থেকে খুব তাড়াতাড়ি কিছু একটা খবর আসতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবারই কোনও ইতিবাচক রেজাল্ট আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আইটিভি-র পলিটিক্যাল এডিটর রবার্ট পেস্টন এমনটাই জানিয়েছেন।

ফেজ-থ্রি হিউম্যান ট্রায়ালের পরীক্ষা চলছে। কিন্তু এখনও ফেজ ওয়ানের রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়নি। এটা নিরাপদ কিনা, তা পরীক্ষা করা হবে। জুলাইয়ের শেষেই তার ফলাফল আসবে। ল্যান্সেট মেডিক্যাল জার্নালে সেই ডেটা প্রকাশিত হবে বলে জানা গিয়েছে।

অক্সফোর্ডের এই ভ্যাক্সিনের ‘অ্যাস্ট্রা জেনেকা’র লাইসেন্স রয়েছে। গোটা বিশ্ব জুড়ে একগুচ্ছ ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চলছে। তবে তার মধ্যে অক্সফোর্ডের গবেষণায় যে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে সেকথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

এদিকে, সোমবার থেকেই ভারতে শুরু হয়েছে ‘কোভ্যাক্সিন’-এর হিউম্যান ট্রায়ালের প্রক্রিয়া। ভারতীয় সংস্থা ‘ভারত বায়োটেক’ আইসিএমআরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। সোমবার থেকেই মানবদেহে সেই ভ্যাক্সিনের পরীক্ষা-নিরিক্ষা শুরু করবে পাটনার এইমস।

ফেজ ওয়ানের ফলাফল সামনে আসলে পরের ধাপে পরীক্ষা হবে। ১২টি ইনস্টিটিউট বেছে নেওয়া হয়েছে ট্রায়ালের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লি ও পাটনার এইমস।

ফেজ ওয়ানে অংশ নেবে ৩৭৫ জন। তিনটি ভাগে তাদের ভাগ করা হবে। প্রত্যেককে ১৪ দিন বাদে বাদে দুটি ডোজ দেওয়া হবে। ফেজ ওয়ান শেষ হলে পরের ফেজের জন্য ৭৫০ জনকে নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় সরকার বিতর্কে ইতি টেনে সাফ জানিয়েছে, ১৫ অগাস্ট নয় করোনার ভ্যাক্সিন ‘কোভ্যাক্সিন’ জনসাধারণের জন্য আসতে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। এরই মাঝে ফের আইসিএমআর জানাল করোনার ভ্যাক্সিন হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য রেডি করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ