নয়াদিল্লি: বাংলা থেকে মন্ত্রী হয়েছেন দু’জন। একজন বাবুল সুপ্রিয় ও অন্য জন দেবশ্রী চৌধুরী। শুক্রবার তাঁদের মন্ত্রক নির্দিষ্ট করা হল।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেই শপথ নিয়েছেন অন্যান্য মন্ত্রীরাও। কাকে কোন মন্ত্রক দেওয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করা হয়েছে শুক্রবার সকালে। বাংলার দুই মন্ত্রীর পোর্টফোলিও নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

বাবুল সুপ্রিয় হলেন বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। আর নারী ও শিশুকল্যান মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন দেবশ্রী চৌধুরী। এই দুই বিভাগের পূর্ণমন্ত্রীরা হলেন প্রকাশ জাভড়েকর ও স্মৃতি ইরানি।

এদের দু’জনের মধ্যে বাবুল সুপ্রিয় আগের সরকারেও মন্ত্রী ছিলেন। প্রথমে নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি ভারী শিল্প মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। আর দেবশ্রী চৌধুরী এবারই প্রথম মন্ত্রী হয়েছেন।

অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পেলেন অমিত শাহ। আগের সরকারে এই মন্ত্রক ছিল রাজনাথ সিংয়ের হাতে। রাজনাথ সিং-কে দেওয়া হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব।

প্রথম মোদী সরকারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হন নির্মলা সীতারামণ। এবার তাঁকে দেওয়া হল অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব। আগের সরকারে অর্থমন্ত্রী থাকা অরুণ জেটলি এবার আর নেই মোদীর মন্ত্রিসভায়। অসুস্থতার কারণে সরকার থেকে সরে গিয়েছেন তিনি নিজেই।

এবার মন্ত্রিসভায় নেই সুষমা স্বরাজও। গত পাঁচ বছর বিদেশমন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার সেই দায়িত্ব দেওয়া হল এস জয়শঙ্করকে। একসময় বিদেশ সচিব থাকা জয়শঙ্করকেই স্বাভাবিকভাবেই এই মন্ত্রকের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

দুটি মন্ত্রক থাকছে স্মৃতি ইরানির হাতে। নারী ও শিশুকল্যান এবং বস্ত্র মন্ত্রক দেওয়া হয়েছে স্মৃতি ইরানিকে। এর আগে বস্ত্র মন্ত্রকের দায়িত্ব সালমেছেন তিনি। আর নারী ও শিশুকল্যান মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন মানেকা গান্ধী। তিনি এবার মন্ত্রিসভায় নেই।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ