স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পুলকার দুর্ঘটনায় জখম দুই শিশুকে গ্রিন করিডোর করে চুঁচুড়া থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হল। তাঁদের নাম ঋষভ সিং, দিব্যাংশ ভগত। দুজনকেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। অমরজিৎ সাহা নামে আরও এক শিশুও গুরুতর জখম হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, অমরজিৎকে প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল। তবে তার অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আপাতত চুঁচুড়া হাসপাতালেই চিকিৎসা করা হবে। এসএসকেএম সূত্রে খবর, চিকিৎসাধীন দুই পড়ুয়া চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ বাচ্চাদের স্কুলে আনার পথে পোলবার কামদেবপুরে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে একটি পুলকার। ১৫ জন শিশু ছিল গাড়িটিতে। তাদের মধ্যে পাঁচজনের আঘাত গুরুতর। এরমধ্যে গাড়িটির চালকও রয়েছে৷

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের দাবি, বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে৷ অন্য গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে পুলকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল৷ সেইসময় আচমকাই তাঁদের সামনে থাকা একটি লরি ইউটার্ন করে। এরপরেই নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে ওই লরিটিকে ধাক্কা মেরে পাশের একটি নয়ানজুলিতে উল্টে যায় পুলকারটি।

স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজে নামেন। তাঁরাই পড়ুয়া এবং গাড়িচালককে উদ্ধার করেন। বাচ্চাগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয় চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। সেখানেই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা শুরু হয় তিনটি শিশুর। জানা গিয়েছে, জখম ঋষভ শ্রীরামপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সন্তোষ (পাপ্পু) সিংয়ের ছেলে৷

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই চুঁচু্ড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার হাসপাতালে পৌঁছোন।সেখানকার ডাক্তাররা তিনটি শিশুকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন করিডোর করে তাদের এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ দুর্ঘটনার জন্য দিল্লি রোডের বেহাল দশাকেই দায়ী করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই রাস্তায় দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা