এথেন্স: ছয় বছরের মধ্যে এই নিয়ে পঞ্চমবারের জন্য সাধারণ নির্বাচনের মুখোমুখি হতে চলেছে ঋণক্লান্ত, কার্যত দেউলিয়া গ্রিস৷ তার আগে এক জনমত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সদ্য ইস্তফা দেওয়া প্রগতিশীল নেতা আলেক্সিস সিপ্রাস ও তাঁর সাইরিজা পার্টিই রক্ষণশীল দল নিউ ডেমোক্রেসির থেকে এগিয়ে আছে৷অর্থনৈতিক কৃচ্ছ্রসাধনের শৃঙ্খল ঘোচানোর ডাক দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন সিপ্রাস৷উত্তমর্ণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপে আপাতত তাঁকে গ্রিসের ক্ষমতা থেকে সরতে হয়েছে৷তবু তাতেও যে তিনি বিচলিত নন, শুক্রবার তাঁর একটি সাক্ষাৎকার থেকেই স্পষ্ট৷

সেদেশের একটি বামপন্থী সংবাদপত্রে (এফিমেরিদা তন সিনতাকতন) প্রকাশিত জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সিপ্রাসের দল সাইরিজার পক্ষে রয়েছে গ্রিসের ভোটদাতাদের ২৩ শতাংশের সমর্থন৷পক্ষান্তরে নিউ ডেমোক্রেসিকে বাছাই করেছেন ১৯.৫ শতাংশ৷অবশ্য বেশিরভাগ ভোটদাতাই এই স্ন্যাপপোলে তাঁদের মতামত জানাতে অস্বীকার করেন৷কাকে ভোট দেবেন তা এখনও স্থির করে উঠতে পারেননি ২৫.৫ শতাংশ ভোটদাতা৷

এর পরেই এদিন সাইরিজা পার্টির নিজস্ব মুখপত্র ‘আভগি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিপ্রাস জানান, ‘‘আজ থেকেই ভোটের লড়াই শুরু হয়ে গেল৷বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য তাঁদের কড়া অবস্থান স্পষ্ট করে দেবে গ্রিসের জনসাধারণ৷’’ সেইসঙ্গে তাঁর ঘোষণা, ‘‘গ্রিস আর ফিরে দেখতে পারবে না এবং দেখবেও না৷ সে এখন শুধু সামনের দিকে এগিয়ে যাবে৷’’

গত জানুয়ারিতেই ভোটে জিতে গ্রিসের ক্ষমতায় বসেন সিপ্রাস৷আপাতত সেদেশের প্রেসিডেন্ট কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কাজ চালাতে বলেছেন সেদেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতিকে৷সব কিছু ঠিকঠাক চললে সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই আবার সাধারণ নির্বাচন হবে ইউরোপের অর্থনৈতিকভাবে মুমূর্ষু হয়ে-পড়া এই দেশে৷তার আগে সেখানকার পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে৷আজ শুক্রবারই তার শেষ অধিবেশন৷

দেশের দেউলিয়া দশা ঘোচাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে ৮৬০০ কোটি ইউরো (৯৬০০ কোটি ডলার) ধার করার সিদ্ধান্ত নেন সিপ্রাস৷এই নিয়ে তৃতীয়বার এ ধরনের ঝুঁকি নিল গ্রিস৷সমালোচকদের মতে, এ তাবৎকালের মধ্যে জেনেশুনে নিজের এত বড় বিপদ গ্রিস এর আগে কখনও ডেকে আনেনি৷সিপ্রাসের ওই সিদ্ধান্তের পরই সাইরিজা পার্টি থেকে দলত্যাগের হিড়িক পড়ে যায়৷তাঁর দলের অন্তত ২৫ জন কট্টরপন্থী জনপ্রতিনিধি সাইরিজা ছেড়ে পপুলার ইউনিটি নামে নতুন দল গড়েন৷এর প্রতিক্রিয়া পড়ে সাইরিজা পার্টির তৃণমূল স্তরেও৷ কিন্তু সাম্প্রতিকতম জনমত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, সদ্য-গঠিত পপুলার ইউনিটি পেয়েছে মাত্র ৩.৫ শতাংশ জনসমর্থন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।