লখনউ: করোনার জীবাণু সংক্রমণের জন্য এক জায়গায় একাধিক লোকের জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO)। জমায়েত যাতে না হয়, সেই দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনই করে থাকেন। কিন্তু সেই প্রশাসনের একজন DM ও SP নিয়ম ভাঙলেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। সেখানকার পিলিভিত জেলার DM ও SP প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সারা দিয়ে রবিবার বিকেলে নেমে আসেন রাস্তায়। পুলিশের পোষাক পরেই SP কে দেখা গিয়েছে শঙ্খ বাজাতে আর DM বাজালেন ঘন্টা। এই পর্যন্ত ঠিকই ছিল।

প্রশাসনিক কর্তারা যখন ধন্যবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন তখন তাদের সঙ্গে ছিল বহু লোক। যা এই সময় আরও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে ।পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে নিয়ম ভঙ্গেরও।

এছাড়া রবিবার প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সারা দিয়ে দেশবাসীর পাড়ার মোড়ে, বাড়ির ছাদে কাঁসর-ঘন্টা নিয়ে জমায়েত উদ্বেগ বাড়লো বলে মনে করছেন অনেকেই।

নোভেল করোনার প্রকোপ রুখতে রবিবার ‘জনতা কার্ফু’র ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বাস্থ্য, সংবাদমাধ্যমের মতো জরুরি পরিষেবায় নিযুক্ত কর্মী, যাঁরা নিজেদের কথা না ভেবে অন্যদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন, হাততালি, থালা, কাঁসর, ঘণ্টা বাজিয়ে সন্ধ্যায় তাঁদের ধন্যবাদ জানাতেও সাধারণ মানুষকে আর্জি জানান তিনি। সকাল থেকে কার্ফুতে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মেলার পর বিকাল ৫টা বাজতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিজের নিজের বাড়ির বারান্দা এবং ছাদে জড়ো হন অনেকে।

কেউ কাঁসর-ঘণ্টা, তো কেউ শাঁখ, কেউ আবার চামচ দিয়ে থালা বাজাতে শুরু করেন। কোথাও কোথাও আবার ‘গো করোনা’ স্লোগানও ওঠে। এমন শৃঙ্খলা খুব একটা দেখা যায় না বহু ঘনজনসংখ্যার এই দেশে। কিন্তু করোনার মোকাবিলায় ছুটির দিন রবিবারে দেখা গেল।

এখন প্রশ্ন উঠছে, করোনাকে কবর দিতে যখন লক ডাউনের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, তখন এই জমায়েত নতুন করে বিপদ ডেকে আনবে না তো? দলবেঁধে ঘণ্টা বাজানো তেমনই আশঙ্কা জাগিয়ে দিল।