সেন্ট মরিৎজ (সুইজারল্যান্ড): সীমান্তের উত্তেজনা ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ালেও বিরাট কোহলির সঙ্গে তাঁর আন্তরিক সম্পর্ক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাবিত হয় না৷ সুইজারল্যান্ডের সেন্ট মরিৎজে আইস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলার ফাঁকে বন্ধু বিরাট সম্পর্কে এমনটাই জানান প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি৷

আফ্রিদি বলেন, ‘বিরাটের সঙ্গে আমার সম্পর্ক রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত হয় না। আমার মতোই, বিরাট একজন চমৎকার মানুষ এবং ক্রিকেটের রাষ্ট্রদূত৷’ কোহলির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা ক্রিকেটমহলে কারোর অজানা নয়৷ বারবার বিরাটের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন বুমবুম আফ্রিদি৷

আরও পড়ুন: ভারতীয় পতাকা তুলে ধরতে বললেন আফ্রিদি

প্রাক্তন পাক অধিনায়ক বলেন, ‘কোহলি সবসময় সম্মান দেখায়৷ আমার ভিত্তি ফাউন্ডেশনের জন্য একটি স্বাক্ষরিত জার্সি দিয়েছে৷ বিরাটের সঙ্গে যখন আমার কথা হয়, তখন অনেক দুই তরফেই উষ্ণতা এবং সহানুভূতি থাকে। এমনটা নয় যে আমরা সবসময় কথা বলার সুযোগ পাই৷ কিন্তু সময়মত এক অপরকে বার্তা দিয়ে থাকি৷ ও বিয়ে করেছে জানার পর আমি ওকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলাম৷ আফ্রিদির ফাউন্ডেশন সমাজের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য পরিষ্কার এবং নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহের কাজ করে৷

আরও পড়ুন: রেকর্ডের দোরগোড়ায় ‘রান মেশিন’ কোহলি

দু’ দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রাক্তন পাক অধিনায়ক বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ক্রিকেটার হিসাবে আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারি৷ পাকিস্তানের পর আমি বিশ্বের যে দু’টি দেশে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পেয়েছি সেটা ভারত ও অস্ট্রেলিয়া৷’ শুধু বন্ধুত্ব নয়, বাইশ গজে কোহলির আগ্রাসনে মজেছেন আফ্রিদি৷ এই আগ্রাসন কোহলিকে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির থেকে আলাদা করেছে বলেও মনে করেন আফ্রিদি৷

আরও পড়ুন: ভারত থেকে সরতে চলেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।