কলকাতা: পাখির চোখ বিধানসভা ভোট। লড়াই এবার সেয়ানে-সেয়ানে, এমনই বলছেন নির্বাচনী বিশ্লেষকদের একাংশ। বিধানসভা ভোটের আগে ছুটির কলকাতা জুড়ে রাজনৈতিক লড়াই। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুযুধান দুই প্রতিপক্ষের মিছিল-পাল্টা মিছিল। স্বামীজি স্মরণে দক্ষিণ কলকাতায় রোড শো শাসক তৃণমূলের। সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে স্বামীজির মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য ও পরে উত্তর কলকাতায় রোড শো বিজেপির।

মঙ্গলবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উলপক্ষ্যে ময়দানে দুই রাজনৈতিক দল। মঙ্গলবার সকালে উত্তর কলকাতায় স্বামী বিবেকানন্দের সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে এদিন স্বামীজির বাড়িতে দেখা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যকে। তিনিও বিবেকানন্দের জন্মদিনে তাঁর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

হাজরায় বক্তব্য রাখছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিধানসভা ভোটের আগে বাঙালি-মনের আরও কাছে পৌঁছে যেতে তৎপর বিজেপি। বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকার চেষ্টায় খামতি নেই গেরুয়া শিবিরের। তৃণমূলের ‘বহিরাগত’ কটাক্ষের জবাব দিতে গেলে বাংলার কৃষ্টিকে আপন করে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই, বিলক্ষণ এটা বোঝেন মোদী-শাহরা।

সেই কারণেই গত কয়েকমাসে বাংলার নানা উৎসব থেকে শুরু করে মণীষীদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে ভীষণ রকমের তৎপরতা পদ্ম-শিবিরে। মঙ্গলবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে শ্যামবাজার থেকে স্বামী বিবেকানন্দের সিমলা স্ট্রিটের বাড়ি পর্যন্ত পদযাত্রার আয়োজন করে বিজেপি। পদযাত্রায় কৈলাশ বিজবর্গীয়, মুকুল রায়-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা হাজির ছিলেন।

এদিকে, বিজেপির পাশাপাশি স্বামীজি স্মরণে এদিন পদযাত্রা করে শাসকদল তৃণমূলও। দক্ষিণ কলকাতা যুব তৃণমূলের ডাকে পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। গোলপার্কে স্বামীজির মূর্তিতে মালা দেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গোলপার্ক থেকে হাজরা পর্যন্ত পদযাত্রা হয়। তৃণমূলের এই পদযাত্রা ঘিরেও এদিন ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে। সব মিলিয়ে ছুটির কলকাতা এদিন ছিল বেশ চনমনে। শাসক-বিরোধীর মিছিল-পাল্টা মিছিল ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।