সুজাপুর (মালদহ): বুধবার দেশজুড়ে ডাকা বনধের প্রভাব বেশ বেশি অনেক জায়গায়। কলকাতা শহরের পাশাপাশি জেলাতেও তাঁর প্রভাব যথেষ্ট। তবে এদিন মালদার সুজাপুর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। ধর্মঘটকে ঘিরে এদিনের সব থেকে বড় ঘটনাটি ঘটে মালদহের কালিয়াচকের সুজাপুরে।

এদিন অবরোধ তুলতে গেলে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ। অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পাশাপাশি সাংবাদিক সম্নেলন করে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম দাবি করেন পুলিশ নিজেই সেখানে গাড়ি ভাঙচুর করে। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

অভিযোগ, ২টি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন বনধ সমর্থকরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রবার বুলেট চালায় বলেও অভিযোগ।

বনধের সমর্থনে সুজাপুরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বনধ সমর্থকরা। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় পুলিশ। অভিযোগ, এর পরই পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে শুরু করেন বনধ সমর্থকরা। পালটা পুলিশ তাড়া করে অবরোধকারীদের। এরই মধ্যে জ্বলতে শুরু করে পুলিশের ২টি গাড়ি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। এমনকী শূন্যে গুলিও ছুড়তে হয় পুলিশকে।

কংগ্রেস পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ খারিজ করেছে। একটি ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে তাঁর দাবি, পুলিশের পোশাক পরা এক ব্যক্তিই গাড়িতে আগুন ধরিয়েছেন। ঘটনার পিছনে চক্রান্ত দেখছে জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব।

সিপিএমের বলছে, পুলিশের প্ররোচনাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে আরও বাহিনী পাঠানো হয়েছে।