demo pic

প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর : ব্যারাকপুর পুলিশ ট্রেনিং কলেজে ভিতরে নিজের কোয়ার্টারে আত্মঘাতী হলেন একজন পুলিশ কর্মী। মৃত পুলিশ কর্মী নাম বিশ্বজিৎ দত্ত বিশ্বাস। ওই পুলিশ কর্মী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ব্যারাকপুর লাটবাগানে ভেতরে।

বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর পুলিশ ট্রেনিং কলেজ লাটবাগানে নিজের কোয়াটার থেকে উদ্ধার হয় কোলকাতা পুলিশের আই বি ডিপার্টমেন্টে সাব ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত বিশ্বজিৎ দত্ত বিশ্বাসের মৃতদেহ। লাটবাগানের ভেতর পুলিশ কর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। এরপর মৃত ওই পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ বাবুর কোয়াটারের দরজা ভেঙ্গে তার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে ব্যারাকপুর বি এন বোস হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কলকাতা পুলিশের আই বি ডিপার্টমেন্টের সাব ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ বাবু তার নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে এদিন নিজের মাথায় গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

এদিন বিশ্বজিৎ বাবুর মা তাকে ফোন করলে তিনি ফোন না ধরায় তার মা বিশ্বজিৎ বাবুর প্রতিবেশী কে ফোন করে তার ছেলের খবর নিতে বললে প্রতিবেশী রা প্রথম বিশ্বজিৎ বাবুর কোয়াটারের ভিতরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন। তখন প্রতিবেশীরা ব্যারাকপুর থানায় খবর দেয় সেই সঙ্গে বিশ্বজিৎ বাবুর বাড়িতে এই খবর দেন। বর্তমানে বিশ্বজিৎ বাবুর স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

তবে বিশ্বজিৎ বাবু কেন এই কাজ করলেন সেই সম্পর্কে কেউ কিছুই বলতে পারছেন না। এই আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনা জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান ব্যারাকপুরে পৌরসভার ২০ নম্বর কাউন্সিলর রমেশ সাউ । তিনি জানান “বিশ্বজিৎ বাবু কে আমরা চিনতাম। কিন্ত তিনি কেনো আত্মহত্যা করলেন সেটা সঠিক ভাবে বলতে পারবো না।কিছুদিন আগে বিশ্বজিৎ বাবু লোন নিয়ে একটা ফ্ল্যাট কিনেছিলেন এটুকু জানি। কিন্তু ওনার পরিবারে কোন সমস্যা ছিল কি না তা আমার জানা নেই। তবে বিশ্বজিৎ বাবু খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আজ অনার কোয়াটারে উনি একাই ছিলেন । অনার প্রতিবেশীরা কোয়াটারের জানলা দিয়ে প্রথম ওনাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পরে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ কোয়াটারের দরজা ভেঙে মৃত দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ