হাওড়া: গত দুটি মঙ্গলবারেও একই কর্মসূচি রেখেছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা৷ তবে তখন বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল৷ মঙ্গলবার সেই কর্মসূচিতে হাজির হন বিজেপির যুব মোর্চার নেত্রী ইসরত জাহান৷ নিজে হাতে করে উপস্থিত সবার মধ্যে বিলি করেন হনুমান চালিশার বই৷ তারপরেই পরিস্থিতি হাতের নাগালের বাইরে চলে যায়৷

মঙ্গলবার উত্তর হাওড়ার ডবসন রোডে হনুমান মন্দিরের সামনে হনুমান চালিসা পাঠ করছিলেন বিজেপির যুব মোর্চার কর্মীরা। মহিলা মোর্চার কর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আচমকাই এলাকায় এসে পৌঁছয় পুলিশ৷

পুলিশ তাদের রাস্তা ছেড়ে উঠে যেতে বললে শুরু হয় বিতর্ক। শেষপর্যন্ত তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এলাকায়৷ পুলিশ প্রার্থনাকারীদের জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গা ব্যারিকেড করে দেয়। কিন্তু আজ প্রার্থনাকারীর সংখ্যা বেশি হয়ে যাওয়ার কারণে তারা ব্যারিকেড সরিয়ে দিলে শুরু হয় উত্তেজনা।

জেলা বিজেপির বক্তব্য, ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের থাকলে তা বাড়িতে করাই ভালো। রাস্তা আটকে মানুষকে বিপদে ফেলা উচিত নয়। জেলার গেরুয়া শিবিরের এক নেতার কথায়, ‘ধর্মীয় আচার আচরণ পালনের জায়গা হল মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার বা চার্চ। কিন্তু এই বাংলায় যবে থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এসেছে, তবে থেকে বাংলার সংস্কৃতি পুরোপুরি নষ্ট হতে বসেছে। দিদি আসার পর প্রত্যেক শুক্রবার জিটি রোড বন্ধ করে একটি সম্প্রদায়ের মানুষ নমাজ পাঠ করছে।’

এর প্রতিবাদে আগেই প্রতীকী আন্দোলন হিসেবে জিটি রোড বন্ধ করে বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে পাঁচ বার হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। ভবিষ্যতে রাস্তা জুড়ে নমাজ পড়া বন্ধ না হলে, প্রত্যেক মঙ্গলবার জেলার সমস্ত হনুমান মন্দিরের সামনে রাস্তা বন্ধ করে হনুমান চালিশা পাঠ করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। তারই রেশ এদিনের ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে৷

গোটা ঘটনার বিরোধীতায় রাজ্যের শাসক দল৷ হাওড়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়ের দাবি, ‘এটা একটা ধর্মীয় রীতি। বিজেপি এ সব করে রাজ্যে বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।