স্টাফ রিপোর্টার, খেজুরি: বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষকে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে যাওয়ার পথে আটকালো পুলিশ৷ ভারতী এক দল বিজেপি সমর্থকদের নিয়ে সভা করতে যাচ্ছিলেন৷ কিন্তু খেজুরিতে পৌঁছনোর আগেই ভারতীর গাড়ি আটকায় পুলিশ৷ গাড়ির ভিতরেই বসে থাকেন ভারতী৷ বিজেপি সমর্খকরা পুলিশের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন৷

কিছুদিন ধরেই খেজুরিতে রাজনৈতিক গণ্ডোগোল চলছে৷ বাড়িঘর ভাঙচূর, লুঠপাটের ঘটনা ঘটছে৷ মঙ্গলবারই, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের সামনে পিস্তল হাতে ঘোরাঘুরি করার অভিযোগে এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করল পাঁশকুড়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম স্বপন ঘাঁটা। ধৃতের বাড়ি মাইশোরা গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে খবর আর পাঁচটা দিনের মতোই এদিন সন্ধ্যেবেলায় মাইশোরায় দলীয় কার্যালয়ে বসে ছিলেন পাঁশকুড়া ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তথা তৃণমূলের পাঁশকুড়া ব্লক কার্যকরী সভাপতি কুরবান শাহ।

অভিযোগ, রাত সোয়া ৮ টা নাগাদ স্বপন ঘাঁটা নামে ওই যুবক কোমরে পিস্তল গুঁজে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের পেছনে ঘোরাঘুরি করছিল। ঠিক সেই সময় কুরবান শাহ’র লোকের ওই যুবককে পাকড়াও করে ফেলে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পাঁশকুড়া থানার পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় থানায়।

এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন কুরবান। কুরবান বলেন‘‘আমাকে খুন করার জন্যই ওই যুবক ঘোরাঘুরি করছিল।এর পেছনে বিজেপির মদত রয়েছে।পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।’’

যদিও ধৃত ওই বিজেপি কর্মী স্বপন ঘাঁটা বলেন,”আমি বিজেপি করি বলেই আমাকে বাড়ি থেকে তুলে এনেছে তৃণমূলের লোকেরা।এই পিস্তল আমি আনিনি।”এই বিষয়ে পাঁশকুড়ার বিজেপি নেতা সিন্টু সেনাপতি বলেন‘‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। তবে বিজেপি সন্ত্রাসের রাজনীতি সমর্থন করে না।’’

তবে এই মুহূর্তে খেজুতে উত্তেজনা রয়েছে৷ ভারতীকে সবা করতে দিতে চায়না পুলিশ৷ কিন্তু এলাকার বিজেপি কর্মীদের মনবল বাড়াতে খেজুরিতে সবা করতে চান ভারতী৷ পুলিশ তার গাড়ি আটকে রেখেছে৷