হ্যানয়: যৌনরোগ, অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ আটকাতে বিশেষজ্ঞরা বারবার পরামর্শ দেন অসুরক্ষিত সেক্স নয়। সুরক্ষিত যৌনজীবন পালনের জন্য। আর এক্ষেত্রে একমাএ আবশ্যক হল কন্ডোমের ব্যবহার। তবে অসাবধানতা বশত কন্ডোমের ব্যবহার যে কোনও দম্পতির জীবনে ডেকে আনতে পারে অনেক বিপদ।

আর এবার খোদ ভিয়েতনামের এক ব্যবসায়ীর গুদাম ঘরে অভিযান চালিয়ে ৩২৪,০০০ ব্যবহৃত কন্ডোম বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ।

পুলিশ এবং ভিয়েতনামের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিন ডুং এলাকা থেকে ওই কন্ডোম গুলি উদ্ধার করেন পুলিশ কর্তারা। জানা গিয়েছে, ব্যবহৃত ওই কন্ডোম গুলি পরিষ্কার করে ধুয়ে তা পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার প্রক্রিয়াকরণ চলছিল। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যে ১০০০ অসুরক্ষিত কন্ডোম ফের বিক্রির জন্য বাজারেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিন অভিযান চালানের সময় পুলিশ ওই গুদাম ঘরে হানা দিয়ে দেখতে পান, সেখানে বেতনভোগী কর্মচারীদের কন্ডোম গুলিকে পুনরায় ব্যবহার করার আগে রাবারের গর্ভনিরোধকগুলি পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এরপরে কনডমগুলি জনসাধারণের কাছে পুনরায় বিক্রি করার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষের হাতে পৌঁছে গিয়েছে সেই অসুরক্ষিত কন্ডোম গুলি।

এই ঘটনায় ভিয়েতনাম পুলিশ ওই গুদামের মালিক ফাম-থি থানহ এনগোকে(৩৩) কে গ্রেফতার করেছে। পুলিশি জেরায় ওই গুদামের মালিক জানিয়েছেন , তিনি ওই ব্যবহৃত কন্ডোম গুলি শহরের এক ব্যক্তির থেকে মাসে একবার করে কিনতেন। এরপর সেগুলিকে পুনরায় বিক্রি করার জন্য পরিষ্কার এবং শুকোনো করে তা বাজারজাত করতেন ।

এদিকে বাজেয়াপ্ত করা ওই কন্ডোম গুলিকে পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত নষ্ট করে দেওয়া হবে। কারণ, চিকিৎসকদের মতে ব্যবহৃত কন্ডোম হল একপ্রকার অসুরক্ষিত মেডিকেল বর্জ্য। এটিকে কোনও ভাবেই পুর্ননবীকরণ করা যায় না। এতে ব্যবহারকারীর মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

শুধু তাই নয়, পৃথিবীর যেকোনও দেশেই কন্ডোমকে মেডিকেল পণ্য হিসেবে ধরা হয়। যারফলে ওই গুদামের মালিককে কন্ডোমের ব্যবহার নিয়ে একাধিক আইন ভাঙ্গার অভিযোগে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।