স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুনীল সিং এর বাড়িতে পুলিশি হানায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল গারুলিয়া পৌরসভা এলাকায়। গত ৪০ বছর ধরে সপরিবার ওই বাড়িতেই থাকতেন বিধায়ক সুনীল সিং। তবে বর্তমানে তাদের এই পৈতৃক বাড়িটিতে তিনি না থাকলেও তার দাদা ও ভাইপরা বসবাস করেন। সুনীল বাবুর দাদা ভান সিং গারুলিয়া পুরসভার বিজেপি কাউন্সিলর এবং তার ভাইপোরা বিজেপি কর্মী বলেই এলাকাতে পরিচিত ।

পৈতৃক বাড়ি হিসাবে সুনীল বাবু ও তার পরিবারের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে এই বাড়িটিতে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জগদ্দল থানা, নোয়াপাড়া থানা ও বারাকপুর থানার পুলিশ হঠাৎ করে সুনীল বাবুর পৈতৃক বাড়িতে তল্লাশি চালানোর জন্য আসে বলে খবর৷ সেই খবর শোনা মাত্রই শিক্ষক দিবসের একটি অনুষ্ঠান থেকে তরিঘরি ছুটে আসেন বিধায়ক সুনীল সিং।

আরও পড়ুন : বিধানসভায় ‘মুখ্যমন্ত্রীকেই বলছি’ শীর্ষক পুস্তিকার উদ্বোধন সূর্যকান্তর

তিনি এসে পুলিশের কাছে তাদের বাড়ি তল্লাশি চালানোর আইনী নির্দেশ দেখতে চান। কিন্তু পুলিশের কাছে সেই আইনী কাগজ না থাকা সত্ত্বেও সুনীল বাবু এবং তার দাদা ভান সিং পুলিশকে তাদের কাজে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। যদিও এদিন পুলিশের এই তল্লাশি অভিযান থেকে কিছু পায়নি বলে দাবি বিধায়কের৷

এদিন এই পুলিশি অভিযান প্রসঙ্গে বিধায়ক সুনীল সিং অভিযোগ করে বলেন যে,” আমার বাড়িতে আজ পুলিশ কোন রকম কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি করতে এসেছিল কিন্তু তাও আমরা পুলিশকে কোন বাধা দিইনি তারাও তল্লাশি করে কিছু পায়নি আমাদের বাড়ি থেকে। তবে এই পুলিশি তল্লাশি করাটা সম্পূর্ণ ভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমাকে হেনস্থা করবার জন্যই এই পুলিশি অভিযান চালানো হয়েছে।”

আরও পড়ুন : দুই থেকে চার লাখ, রাজ্য বিজেপিতে সংখ্যালঘু সদস্য বাড়ছে

তিনি আরো অভিযোগ করেন যে,” নোয়াপাড়া বিধানসভা এলাকাকে অশান্ত করবার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস ও সরকারের পুলিশ৷ আমার বাড়িতে বা বিজেপি শাসিত গারুলিয়া পৌরসভা এলাকাতে কোথাও কোন গন্ডগোলের ঘটনা ঘটেনি। তাও পুলিশ আজ আমাদের বাড়ি কোন আইনী কাগজ ছাড়াই তল্লাশি করে গেল, আমরা প্রশাসনের সাথে সহযোগিতা করেছি৷ কিন্তু পুলিশের এই ধরনের অত্যাচার আমরা বেশি সহ্য করবো না। তৃণমূল কংগ্রেস ও পুলিশ প্রশাসন বিজেপির নেতা কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বিজেপিকে এই ভাবে সরানো যাবে না, যাদের সাথে সাধারন মানুষের রায় আছে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে লাভ নেই। “