স্টাফ রিপোর্টার, রামপুরহাট: স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চলছিল রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন একদল পুলিশকর্মী। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে সেই পুলিশদের বুকে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভপতির ছবি সম্বলিত ব্যাজ।

আরও পড়ুন- আগামী ৪৮ ঘন্টায় রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

এই ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার নলহাটিতে। ওই জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হলেন অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। বিভিন্ন সময়ে পুলিশকে শাসন করতে দেখা গিয়েছে অনুব্রতবাবুকে। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন পুলিশকে লক্ষ্য করে বোম ছুঁড়তে। ডিএসপি পদাধিকারীকে অফিসারকে শাসাতেও দেখা গিয়েছিল। ওই জেলাতেই তৃণমূল কংগ্রেস ব্লক সভাপতির মুখে শোনা গিয়েছিল পুলিশের উর্দি খুলে নেওয়ার হুমকি।

সেই বীরভূম জেলাতেই দেখা গেল সম্পূর্ণ অন্য ছবি। বুধবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নলহাটিতে রক্তদান শিবির এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নলহাটি থানার একদল পুলিশকর্মী। সেই অনুষ্ঠানেই জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ছবি সম্বলিত ব্যাজ পরে থাকতে দেখা গেল পুলিশদের। বুকে সেই ব্যাজ লাগানো অবস্থায় দেখা গিয়েছে নলহাটির সার্কেল ইনস্পেক্টর অর্ণব গুহ, যিনি আবার নলহাটির ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ। এছাড়াও নলহাটির অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর শুভঙ্কর ঘোষ।

এই বিষয়ে বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় জানিয়েছেন যে কিছু পুলিশ অফিসার অনুব্রত মণ্ডলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করে দিয়েছে এবং কিছু কিছু পুলিশ অফিসার আজকাল নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যাডার ভাবতে শুরু করে দিয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেছেন, “এই ধরণের পুলিশদের জন্য আমাদের ঘেন্না হয়। প্রশাসন যদি প্রশাসনের ভূমিকা ঠিকমতো না পালন করে তৃণমূল জেলা সভাপতির ব্যাজ বুকে লাগিয়ে সেই পুলিস ঘুরে বেড়ায় তাহলে এটা সমাজের লজ্জা ছাড়া আর কিছুই না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।